ঢাকা ০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬

খাদের কিনারা থেকে ইংল্যান্ডের মহাকাব্যিক প্রত্যাবর্তন, জয়ের নায়ক হ্যারি কেইন

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:০৪:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের ঘণ্টা বাজছিল। চার বছরের দীর্ঘ প্রতীক্ষা আর কোটি ভক্তের স্বপ্ন যখন ধূলিসাৎ হওয়ার উপক্রম, তখনই খাদের কিনারা থেকে ঘুরে দাঁড়াল ইংল্যান্ড। ম্যাচের শুরুতে গোল হজম করে পিছিয়ে পড়লেও শেষ পর্যন্ত অধিনায়ক হ্যারি কেইনের বীরত্বে ডিআর কঙ্গোকে ২-১ গোলে হারিয়ে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে থ্রি লায়ন্সরা।

ম্যাচের মাত্র ৭ মিনিটে ব্রায়ান সিপেঙ্গার গোলে স্তব্ধ হয়ে যায় ইংল্যান্ড শিবির। প্রথমার্ধের পুরোটা সময় এবং দ্বিতীয়ার্ধের অনেকটা সময় পর্যন্ত সেই ব্যবধান ধরে রেখেছিল কঙ্গো। রক্ষণভাগের ভুল আর ফরোয়ার্ডদের ব্যর্থতায় ইংল্যান্ড যখন দিশেহারা, তখন দলের হাল ধরেন হ্যারি কেইন। জোড়া গোল করে তিনি কেবল দলকে জয়ই উপহার দেননি, বরং খাদের কিনারা থেকে টেনে তুলেছেন বিশ্বমঞ্চে টিকে থাকার লড়াইয়ে।

ম্যাচজুড়ে কঙ্গোর গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসি ছিলেন চীনের প্রাচীরের মতো অটল। বুকায়ো সাকা, ফিল ফোডেন এবং জুড বেলিংহামদের একের পর এক আক্রমণ নস্যাৎ করে দিচ্ছিলেন তিনি। তবে শেষ ২০ মিনিটে কোচ টমাস টুখেলের কৌশলী পরিবর্তন ম্যাচের দৃশ্যপট পাল্টে দেয়। বিরতিতে পিছিয়ে থেকে বিশ্বকাপে ম্যাচ জেতার কোনো রেকর্ড এর আগে ইংল্যান্ডের ছিল না, তবে কেইনের জাদুকরী পারফরম্যান্সে সেই ইতিহাস নতুন করে লিখল তারা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা প্রসারে ছাত্রশিবিরের ৩৬ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা

খাদের কিনারা থেকে ইংল্যান্ডের মহাকাব্যিক প্রত্যাবর্তন, জয়ের নায়ক হ্যারি কেইন

আপডেট সময় : ০২:০৪:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের ঘণ্টা বাজছিল। চার বছরের দীর্ঘ প্রতীক্ষা আর কোটি ভক্তের স্বপ্ন যখন ধূলিসাৎ হওয়ার উপক্রম, তখনই খাদের কিনারা থেকে ঘুরে দাঁড়াল ইংল্যান্ড। ম্যাচের শুরুতে গোল হজম করে পিছিয়ে পড়লেও শেষ পর্যন্ত অধিনায়ক হ্যারি কেইনের বীরত্বে ডিআর কঙ্গোকে ২-১ গোলে হারিয়ে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে থ্রি লায়ন্সরা।

ম্যাচের মাত্র ৭ মিনিটে ব্রায়ান সিপেঙ্গার গোলে স্তব্ধ হয়ে যায় ইংল্যান্ড শিবির। প্রথমার্ধের পুরোটা সময় এবং দ্বিতীয়ার্ধের অনেকটা সময় পর্যন্ত সেই ব্যবধান ধরে রেখেছিল কঙ্গো। রক্ষণভাগের ভুল আর ফরোয়ার্ডদের ব্যর্থতায় ইংল্যান্ড যখন দিশেহারা, তখন দলের হাল ধরেন হ্যারি কেইন। জোড়া গোল করে তিনি কেবল দলকে জয়ই উপহার দেননি, বরং খাদের কিনারা থেকে টেনে তুলেছেন বিশ্বমঞ্চে টিকে থাকার লড়াইয়ে।

ম্যাচজুড়ে কঙ্গোর গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসি ছিলেন চীনের প্রাচীরের মতো অটল। বুকায়ো সাকা, ফিল ফোডেন এবং জুড বেলিংহামদের একের পর এক আক্রমণ নস্যাৎ করে দিচ্ছিলেন তিনি। তবে শেষ ২০ মিনিটে কোচ টমাস টুখেলের কৌশলী পরিবর্তন ম্যাচের দৃশ্যপট পাল্টে দেয়। বিরতিতে পিছিয়ে থেকে বিশ্বকাপে ম্যাচ জেতার কোনো রেকর্ড এর আগে ইংল্যান্ডের ছিল না, তবে কেইনের জাদুকরী পারফরম্যান্সে সেই ইতিহাস নতুন করে লিখল তারা।