বিশ্বকাপের মঞ্চে আর্লিং হ্যালান্ডের জয়জয়কার চলছেই। আইভরি কোস্টের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে এই নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকারের করা জয়সূচক গোলেই ২-১ ব্যবধানে জয় পেয়েছে নরওয়ে। এই জয়ের মাধ্যমে ২০০০ সালের ইউরোর পর প্রথমবারের মতো কোনো বড় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের নকআউট পর্বে জায়গা করে নিল দেশটি। চলতি বিশ্বকাপে মাত্র তিন ম্যাচ খেলেই হ্যালান্ডের গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে পাঁচ-এ, যা তাকে গোলদাতার তালিকায় শীর্ষ সারিতে নিয়ে এসেছে। বর্তমানে তার ওপরে আছেন কেবল কিলিয়ান এমবাপ্পে ও লিওনেল মেসি।
আন্তর্জাতিক ফুটবলে হ্যালান্ডের পরিসংখ্যান এখন রীতিমতো বিস্ময়কর। মাত্র ৫৩ ম্যাচে ৬০ গোল করে তিনি বুঝিয়ে দিচ্ছেন কেন তাকে বর্তমান সময়ের অন্যতম সেরা গোলমেশিন বলা হয়। গড়ে প্রতি ৭২ মিনিটে একটি করে গোল করার এই অবিশ্বাস্য হার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর আন্তর্জাতিক ফুটবলের সর্বোচ্চ গোলের বিশ্বরেকর্ডকেও এখন হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, পর্তুগালের হয়ে ২৩১ ম্যাচে রোনালদোর গোল ১৪৫টি (প্রতি ১.৫৯ ম্যাচে একটি), সেখানে হ্যালান্ড ৫৩ ম্যাচে করেছেন ৬০ গোল (প্রতি ০.৮৮ ম্যাচে একটি)।
আইভরি কোস্টের বিপক্ষে ম্যাচের ৮৬ মিনিটে প্যাট্রিক বার্গের বাড়ানো পাস থেকে বল জালে জড়িয়ে নরওয়ের ফুটবলে নতুন ইতিহাস লেখেন হ্যালান্ড। জাতীয় দলের হয়ে শেষ ১৩টি প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে ২৫টি গোল করেছেন ২৫ বছর বয়সি এই তারকা। বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ফ্রান্সের বিপক্ষে ম্যাচে বিশ্রামে থাকায় এমবাপ্পের সঙ্গে তার দ্বৈরথ দেখা না গেলেও, নকআউট পর্বে ফুটবল বিশ্ব এক রোমাঞ্চকর লড়াইয়ের অপেক্ষায় রয়েছে। হ্যালান্ডের এই অতিমানবীয় ফর্ম নরওয়েকে বিশ্বমঞ্চে কতদূর নিয়ে যায়, এখন সেটিই দেখার বিষয়।
রিপোর্টারের নাম 





















