ঢাকা ১১:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

ফিলিস্তিনিদের প্রজনন ক্ষমতা ধ্বংসের অভিযোগ: ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ‘জেনোসাইড’ প্রতিবেদন

একটি নতুন প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে যে, ইসরায়েল কয়েক দশক ধরে ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে ‘প্রজনন ক্ষমতা ধ্বংসের উদ্দেশ্যে পরিচালিত গণহত্যা’ (রিপ্রোডাক্টটিভ জেনোসাইড) চালিয়ে আসছে। প্যালেস্টিনিয়ান ফেমিনিস্ট কালেক্টিভ কর্তৃক প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান ধ্বংস, নারী ও শিশু হত্যা এবং বসবাসের পরিবেশকে এমন পর্যায়ে নিয়ে আসা হয়েছে যা বন্ধ্যাত্বের কারণ হচ্ছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যা শুরু হওয়ার পর এই কর্মকাণ্ড আরও তীব্র হয়েছে, যার উদ্দেশ্য ফিলিস্তিনিদের স্বাভাবিক জীবনধারা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অস্তিত্বকে অসম্ভব করে তোলা।

এর আগে গত সপ্তাহে ফিলিস্তিন ও ইসরায়েল বিষয়ে জাতিসংঘের সর্বোচ্চ তদন্তকারী সংস্থাও এক প্রতিবেদনে জানায়, গাজায় অভিযানের অংশ হিসেবে ইসরায়েলি বাহিনী ফিলিস্তিনি শিশুদের ইচ্ছাকৃতভাবে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে। জাতিসংঘের প্রতিবেদনে শিশুদের বিরুদ্ধে সংঘটিত নানা ধরনের নির্যাতনের পূর্ণাঙ্গ চিত্র তুলে ধরা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে স্নাইপার ও ড্রোনের নির্ভুল গুলি, আটক অবস্থায় নির্যাতন, প্রজনন-সম্পর্কিত সহিংসতা এবং স্কুল ও হাসপাতাল ধ্বংস।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত গাজায় ২১ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি শিশু নিহত হয়েছে। এছাড়া ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও প্রায় ৫ হাজার ১৬০ শিশু চাপা পড়েছে। একইসঙ্গে ২০২৪ সালের অক্টোবর পর্যন্ত অন্তত ১৫ হাজার শিশু তাদের মাকে হারিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, যা এই সংকটের ভয়াবহতা তুলে ধরে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

উপাচার্যের আশ্বাসে আস্থা নেই, আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন বেরোবি কর্মকর্তারা

ফিলিস্তিনিদের প্রজনন ক্ষমতা ধ্বংসের অভিযোগ: ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ‘জেনোসাইড’ প্রতিবেদন

আপডেট সময় : ০৯:৪২:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

একটি নতুন প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে যে, ইসরায়েল কয়েক দশক ধরে ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে ‘প্রজনন ক্ষমতা ধ্বংসের উদ্দেশ্যে পরিচালিত গণহত্যা’ (রিপ্রোডাক্টটিভ জেনোসাইড) চালিয়ে আসছে। প্যালেস্টিনিয়ান ফেমিনিস্ট কালেক্টিভ কর্তৃক প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান ধ্বংস, নারী ও শিশু হত্যা এবং বসবাসের পরিবেশকে এমন পর্যায়ে নিয়ে আসা হয়েছে যা বন্ধ্যাত্বের কারণ হচ্ছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যা শুরু হওয়ার পর এই কর্মকাণ্ড আরও তীব্র হয়েছে, যার উদ্দেশ্য ফিলিস্তিনিদের স্বাভাবিক জীবনধারা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অস্তিত্বকে অসম্ভব করে তোলা।

এর আগে গত সপ্তাহে ফিলিস্তিন ও ইসরায়েল বিষয়ে জাতিসংঘের সর্বোচ্চ তদন্তকারী সংস্থাও এক প্রতিবেদনে জানায়, গাজায় অভিযানের অংশ হিসেবে ইসরায়েলি বাহিনী ফিলিস্তিনি শিশুদের ইচ্ছাকৃতভাবে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে। জাতিসংঘের প্রতিবেদনে শিশুদের বিরুদ্ধে সংঘটিত নানা ধরনের নির্যাতনের পূর্ণাঙ্গ চিত্র তুলে ধরা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে স্নাইপার ও ড্রোনের নির্ভুল গুলি, আটক অবস্থায় নির্যাতন, প্রজনন-সম্পর্কিত সহিংসতা এবং স্কুল ও হাসপাতাল ধ্বংস।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত গাজায় ২১ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি শিশু নিহত হয়েছে। এছাড়া ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও প্রায় ৫ হাজার ১৬০ শিশু চাপা পড়েছে। একইসঙ্গে ২০২৪ সালের অক্টোবর পর্যন্ত অন্তত ১৫ হাজার শিশু তাদের মাকে হারিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, যা এই সংকটের ভয়াবহতা তুলে ধরে।