ঢাকা ০৮:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

ঠাকুরগাঁওয়ে বাকপ্রতিবন্ধী শিশু ধর্ষণ: আব্দুল মমিনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

ঠাকুরগাঁওয়ে বাকপ্রতিবন্ধী এক শিশুকে ধর্ষণ ও নির্যাতনের দায়ে মামলার প্রধান আসামি আব্দুল মমিনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে, যা ভুক্তভোগী পরিবারকে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (তারিখ উল্লেখ নেই, তবে মঙ্গলবার) দুপুরে শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আলী মনসুর এই রায় ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এনতাজুল হক জানান, ২০১৫ সালে এই ধর্ষণের অভিযোগে জেলার রাণীশংকৈল থানায় দুইজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন নির্যাতিত শিশুর মা। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত সাক্ষ্যপ্রমাণ ও মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা করে এই রায় দেন।

রায়ে অপর আসামি এরশাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাকে বেকসুর খালাস প্রদান করেছেন। মামলার বাদী, নির্যাতিত শিশুর মা, আদালতের এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং মন্তব্য করেছেন যে দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, এই রায়ের মাধ্যমে শিশু নির্যাতনের মতো জঘন্য অপরাধের বিরুদ্ধে একটি কঠোর বার্তা গেল।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্রহ্মপুত্র নদের ভয়াবহ ভাঙন: বকশীগঞ্জে মানববন্ধন, স্থায়ী সমাধানের দাবি

ঠাকুরগাঁওয়ে বাকপ্রতিবন্ধী শিশু ধর্ষণ: আব্দুল মমিনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ০৬:১২:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

ঠাকুরগাঁওয়ে বাকপ্রতিবন্ধী এক শিশুকে ধর্ষণ ও নির্যাতনের দায়ে মামলার প্রধান আসামি আব্দুল মমিনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে, যা ভুক্তভোগী পরিবারকে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (তারিখ উল্লেখ নেই, তবে মঙ্গলবার) দুপুরে শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আলী মনসুর এই রায় ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এনতাজুল হক জানান, ২০১৫ সালে এই ধর্ষণের অভিযোগে জেলার রাণীশংকৈল থানায় দুইজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন নির্যাতিত শিশুর মা। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত সাক্ষ্যপ্রমাণ ও মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা করে এই রায় দেন।

রায়ে অপর আসামি এরশাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাকে বেকসুর খালাস প্রদান করেছেন। মামলার বাদী, নির্যাতিত শিশুর মা, আদালতের এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং মন্তব্য করেছেন যে দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, এই রায়ের মাধ্যমে শিশু নির্যাতনের মতো জঘন্য অপরাধের বিরুদ্ধে একটি কঠোর বার্তা গেল।