টাঙ্গাইলে পাঁচ বছর বয়সী এক শিশুকে অপহরণের পর হত্যা করে লাশ গুম করার অভিযোগে মো. নুরুন্নবী (২৭) নামের এক আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই রায়ে তাকে ২০ বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (তারিখ উল্লেখ নেই, তবে মঙ্গবার) টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আ ন ম ইলিয়াছ এই রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত নুরুন্নবী গোপালপুর উপজেলার নবধুলুটিয়া গ্রামের আতোয়ার রহমানের ছেলে। আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) ওমরাও খান দিপু জানান, ২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর গোপালপুর উপজেলার গাঙাপাড়া গ্রামের রায়হানুল ইসলাম আরাফ নামের পাঁচ বছরের শিশুটিকে অপহরণ করে নুরুন্নবী। ঘটনার পর শিশুর দাদা নাসির উদ্দিন গোপালপুর থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে পুলিশ নুরুন্নবীকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারের পর নুরুন্নবী আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গাজীপুরের কালিয়াকৈরে রেললাইনের পাশে একটি ডোবা থেকে আরাফের লাশ উদ্ধার করা হয়। নুরুন্নবী স্বীকার করেন যে, মুক্তিপণের উদ্দেশ্যে তিনি আরাফকে অপহরণ করেছিলেন এবং পরে তাকে হত্যা করে লাশ গুম করেন।
পিপি আরও জানান, আদালত নুরুন্নবীর বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় মৃত্যুদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। অপহরণের অভিযোগে তাকে ১৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা এবং লাশ গুম করার অভিযোগে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। রায় ঘোষণার পর নুরুন্নবীকে কারাগারে পাঠানো হয়।
রিপোর্টারের নাম 






















