ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা অবৈধ ঘোষণা করেছেন আপিল বিভাগ। তবে এ আসনের নির্বাচন বা ফলাফল নিয়ে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সে বিষয়ে আদালতের পূর্ণাঙ্গ রায়ের কপি হাতে পাওয়ার পর সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) আপিল বিভাগের রায়ের পর সাংবাদিকদের এ কথা জানান জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমান মাসউদ। তিনি বলেন, “আদালত যে নির্দেশ দেবেন, নির্বাচন কমিশন সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে। আদালত যদি পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ দেন, তাহলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আবার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণার নির্দেশ দিলে সেটিও বাস্তবায়ন করা হবে।” তিনি আরও বলেন, আদালতের পূর্ণাঙ্গ রায় বা অগ্রিম (অ্যাডভান্স) কপি হাতে পাওয়ার পরই কমিশন বিষয়টি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবে। কমিশন এক্ষেত্রে স্বপ্রণোদিত হয়ে রায়ের কপি সংগ্রহ করবে না, কারণ তারা মামলার পক্ষভুক্ত নয়। সংশ্লিষ্ট পক্ষ বা আদালত থেকেই রায়ের কপি কমিশনের কাছে পৌঁছাবে বলে তিনি জানান।
উল্লেখ্য, ঋণখেলাপির অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও গত ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনে আপিল শুনানিতে আসলাম চৌধুরীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক রিট করলে হাইকোর্ট তা খারিজ করে দেন। পরে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করে। একই সঙ্গে জামায়াতের প্রার্থী মো. আনোয়ার সিদ্দিকীও লিভ টু আপিল করেন। গত ৩ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বহাল রাখার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেন। তবে আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ স্থগিত রাখার নির্দেশ দেন আদালত। এর মধ্যে গত ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসলাম চৌধুরী সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে বিজয়ী হলেও আদালতের নির্দেশে ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়নি। ১৫ জুন শুনানি শেষে আপিল বিভাগ ৩০ জুন রায়ের দিন নির্ধারণ করেন এবং মঙ্গলবার দেওয়া রায়ে আদালত আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা অবৈধ ঘোষণা করেন।
রিপোর্টারের নাম 






















