ঢাকা ০৩:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

আলজেরিয়া-অস্ট্রিয়া ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ উড়িয়ে দিল ফিফা

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে আলজেরিয়া ও অস্ট্রিয়ার মধ্যে অনুষ্ঠিত নাটকীয় ৩-৩ গোলের ড্র ম্যাচটিকে ঘিরে ওঠা ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ তদন্ত না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ম্যাচ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা এবং ১৯৮২ সালের কুখ্যাত ‘ডিসগ্রেস অব গিহন’-এর সঙ্গে তুলনা টানা হলেও, ফিফা তদন্ত শুরু করার মতো কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ বা ভিত্তি খুঁজে পায়নি।

ম্যাচটির ফল এমন ছিল যে, উভয় দলই নকআউট পর্বে নিজেদের জায়গা নিশ্চিত করে। এরপরই অনেক সমর্থক অভিযোগ করেন যে, দুই দল ইচ্ছাকৃতভাবে ড্রয়ের দিকে এগিয়েছে। তবে ফিফা প্রাথমিকভাবে পুরো বিষয়টি পর্যালোচনা করে কোনো অনিয়মের প্রমাণ না পাওয়ায় আনুষ্ঠানিক তদন্তের প্রয়োজন দেখছে না।

অস্ট্রিয়ার কোচ রালফ রাংনিকও এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তার মতে, ম্যাচের শেষ মুহূর্তের ঘটনাপ্রবাহই প্রমাণ করে যে এটি কোনোভাবেই সাজানো ছিল না। তিনি বলেন, ৯৩ মিনিটে আলজেরিয়ার এগিয়ে যাওয়া এবং ৯৬ মিনিটে অস্ট্রিয়ার সমতা ফেরানো—এমন নাটকীয় ম্যাচকে ফিক্সিং বলা বাস্তবতার সঙ্গে মেলে না। প্রায় চার দশকের কোচিং ক্যারিয়ারে এটিকে তার দেখা সবচেয়ে নাটকীয় ম্যাচগুলোর একটি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বিতর্কের মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরও একটি গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছিল যে, দক্ষিণ কোরিয়া নাকি এই ম্যাচের বিরুদ্ধে ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানিয়েছে। তবে ফিফা কিংবা দক্ষিণ কোরিয়ার ফুটবল কর্তৃপক্ষ কেউই এ ধরনের কোনো অভিযোগের কথা নিশ্চিত করেনি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সোনালু: গ্রীষ্মের রুক্ষতায় এক পশলা সোনালি সৌন্দর্যের ছোঁয়া

আলজেরিয়া-অস্ট্রিয়া ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ উড়িয়ে দিল ফিফা

আপডেট সময় : ০১:৪২:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে আলজেরিয়া ও অস্ট্রিয়ার মধ্যে অনুষ্ঠিত নাটকীয় ৩-৩ গোলের ড্র ম্যাচটিকে ঘিরে ওঠা ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ তদন্ত না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ম্যাচ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা এবং ১৯৮২ সালের কুখ্যাত ‘ডিসগ্রেস অব গিহন’-এর সঙ্গে তুলনা টানা হলেও, ফিফা তদন্ত শুরু করার মতো কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ বা ভিত্তি খুঁজে পায়নি।

ম্যাচটির ফল এমন ছিল যে, উভয় দলই নকআউট পর্বে নিজেদের জায়গা নিশ্চিত করে। এরপরই অনেক সমর্থক অভিযোগ করেন যে, দুই দল ইচ্ছাকৃতভাবে ড্রয়ের দিকে এগিয়েছে। তবে ফিফা প্রাথমিকভাবে পুরো বিষয়টি পর্যালোচনা করে কোনো অনিয়মের প্রমাণ না পাওয়ায় আনুষ্ঠানিক তদন্তের প্রয়োজন দেখছে না।

অস্ট্রিয়ার কোচ রালফ রাংনিকও এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তার মতে, ম্যাচের শেষ মুহূর্তের ঘটনাপ্রবাহই প্রমাণ করে যে এটি কোনোভাবেই সাজানো ছিল না। তিনি বলেন, ৯৩ মিনিটে আলজেরিয়ার এগিয়ে যাওয়া এবং ৯৬ মিনিটে অস্ট্রিয়ার সমতা ফেরানো—এমন নাটকীয় ম্যাচকে ফিক্সিং বলা বাস্তবতার সঙ্গে মেলে না। প্রায় চার দশকের কোচিং ক্যারিয়ারে এটিকে তার দেখা সবচেয়ে নাটকীয় ম্যাচগুলোর একটি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বিতর্কের মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরও একটি গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছিল যে, দক্ষিণ কোরিয়া নাকি এই ম্যাচের বিরুদ্ধে ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানিয়েছে। তবে ফিফা কিংবা দক্ষিণ কোরিয়ার ফুটবল কর্তৃপক্ষ কেউই এ ধরনের কোনো অভিযোগের কথা নিশ্চিত করেনি।