রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ চীন-মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র থেকে প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ভার্চুয়ালি উপভোগ করেছে ভোলার দৌলতখান উপজেলার হাজারো শিক্ষার্থী। সোমবার জয়নুল আবদিন ল্যাবরেটরি মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে সুসজ্জিত প্যান্ডেলে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে শিক্ষক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও দর্শকরাও উপস্থিত ছিলেন, যা অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করে তোলে।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহানবী (স.) অনেক গাছ রোপণ করেছেন এবং গাছ পরিবেশকে শীতল রাখে। তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সৌদি আরবের আরাফাত ময়দানে ১ লাখ নিমগাছের চারা রোপণের উদ্যোগের কথাও স্মরণ করিয়ে দেন। প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, বর্তমানে বর্ষায় প্রত্যাশিত বৃষ্টি হচ্ছে না।
তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান, তারা যেন প্রতি বছর একটি করে গাছ লাগায়। এমনকি তাদের নতুন ভাই-বোনের নামেও গাছ লাগানোর কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তোমরা বড় হবে, গাছও ধীরে ধীরে বড় হয়ে তোমাদের বন্ধু হবে।’ প্রতি বছর বর্ষায় স্কুলের আঙিনায় অথবা নিজেদের বাড়িতে গাছের চারা রোপণের জন্য তিনি সবাইকে উৎসাহিত করেন।
সুসজ্জিত ও জাঁকজমকপূর্ণ এই আয়োজনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবদুল মতিন খান, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. রকিবুল হাসান, একাডেমিক সুপারভাইজার রিনা আক্তার, জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ফজলুর রহমান বাচ্চু মোল্লা, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি ফারুক হোসেন তালুকদার, জয়নুল আবদীন ল্যাবরেটরি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি খালেদা খানম এবং প্রধান শিক্ষক আবদুল্লাহ আল নোমান। গুড়িগুড়ি বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও মানুষ সকাল থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত অপেক্ষা করে অনুষ্ঠানটি উপভোগ করেন। অনুষ্ঠান শেষে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করা হয়।
রিপোর্টারের নাম 
























