বিশ্ববাজারে সোনার দামে বড় ধরনের পতন দেখা যাচ্ছে, যা ২০০৮ সালের অক্টোবরের পর এক মাসে সর্বোচ্চ দরপতন। মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা প্রশমিত হওয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সুদের হার বৃদ্ধির আশঙ্কাই এই পতনের মূল কারণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত স্পট গোল্ডের দাম ১.৫ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৩,৯৫৬.৯২ ডলারে নেমে আসে। চলতি মাসে এ পর্যন্ত সোনার দাম কমেছে প্রায় ১২.৭ শতাংশ, যা টানা চতুর্থ মাসের পতন হতে যাচ্ছে। একই সঙ্গে, আগস্ট ডেলিভারির মার্কিন স্বর্ণ ফিউচারের দামও ১.৭ শতাংশ কমে ৩,৯৬৯.৩০ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, চলতি প্রান্তিকে সোনার দাম কমার প্রবণতা স্পষ্ট। এটি ২০২৪ সালের পর প্রথম এবং ২০১৩ সালের জুন প্রান্তিকের পর সবচেয়ে বড় ত্রৈমাসিক পতন হতে পারে। ইরানকে ঘিরে সংঘাতের কারণে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা এবং সুদের হার বাড়ানোর প্রত্যাশা আরও জোরদার হয়েছে, যা সোনার দামে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
মারেক্সের বিশ্লেষক এডওয়ার্ড মেইর জানান, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, সুদের হার বাড়ার প্রত্যাশা এবং শক্তিশালী ডলার—এই তিনটি বিষয় সোনার দামের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। ফলে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে সোনার যে ঐতিহ্যবাহী চাহিদা, তা এখন কার্যকর হচ্ছে না। যদিও স্বর্ণকে সাধারণত মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে একটি নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে ধরা হয়, তবে সুদের হার বেশি থাকলে সুদবিহীন এই ধাতুর আকর্ষণ কমে যায়।
শুধু স্বর্ণ নয়, অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর বাজারেও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। স্পট সিলভারের দাম ২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৫৭.১৩ ডলারে, প্লাটিনামের দাম ১.১ শতাংশ কমে ১,৫৫৭.২১ ডলারে এবং প্যালাডিয়ামের দাম ০.৪ শতাংশ কমে ১,২০৮.১৭ ডলারে নেমে এসেছে।
রিপোর্টারের নাম 

























