চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিলের রায়কে দেশের ব্যাংকিং খাত ও নির্বাচনী ব্যবস্থার জন্য একটি মাইলফলক হিসেবে দেখছেন আইনজীবীরা। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ আসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করায় তিনি আর সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিতে পারছেন না। ঋণখেলাপির অভিযোগে উচ্চ আদালত এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত প্রদান করেন।
জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর আইনজীবী শিশির মনির রায়ের প্রতিক্রিয়ায় জানান, এই রায়ের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে যে ঋণখেলাপিদের জনপ্রতিনিধি হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিদ্যমান আইন অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন এখন এই আসনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করতে পারে অথবা আদালতের পূর্ণাঙ্গ রায়ের ভিত্তিতে পরবর্তী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
উল্লেখ্য, ঋণখেলাপির অভিযোগে আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা নিয়ে দীর্ঘ আইনি লড়াই চলে। গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে তিনি অংশ নিয়ে জয়ী হলেও আদালতের নির্দেশে ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশ স্থগিত ছিল। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চের এই চূড়ান্ত রায়ের ফলে ওই আসনের রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মোড় নিল।
রিপোর্টারের নাম 




















