ঢাকা ০২:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

মুসলিম বিশ্বের ঐতিহাসিক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলী ও ব্যক্তিত্বদের স্মরণে ক্যালেন্ডার

ইসলামী ইতিহাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের স্মরণে একটি ক্যালেন্ডার উপস্থাপন করা হলো, যা মুসলিম বিশ্বের অতীত গৌরবের সাক্ষ্য বহন করে।

২০ জুন, ৬৫৬ খ্রিষ্টাব্দ (১৮ জিলহজ, ৩৫ হিজরি): ইসলামের তৃতীয় খলিফা এবং জান্নাতুল ফেরদাউসের সুসংবাদপ্রাপ্ত দশ সাহাবীর (আশারায়ে মুবাশশারাহ) অন্যতম সদস্য হযরত উসমান ইবনে আফফান (রা.) মদিনায় নিজ বাড়িতে কোরআন তিলাওয়াতরত অবস্থায় বিদ্রোহীদের হাতে শাহাদতবরণ করেন।

২১ জুন, ৮৭০ খ্রিষ্টাব্দ (রজব, ২৫৬ হিজরি): আব্বাসীয় খলিফা আল-মুহতাদি বিল্লাহ নিহত হন। তাঁর শাসনকাল এক বছরেরও কম সময়ের হলেও, ন্যায়বিচার, আধ্যাত্মিকতা, ইবাদত এবং প্রশাসনিক সততার জন্য তিনি তাঁর সমসাময়িকদের কাছে বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছিলেন।

২২ জুন, ১৬৯১ খ্রিষ্টাব্দ (২৪/২৫ রমজান, ১১০২ হিজরি): উসমানি খেলাফতের ২১তম সুলতান দ্বিতীয় আহমেদ সিংহাসনে আরোহণ করেন। তাঁর পূর্বসূরি ও বড় ভাই সুলতান দ্বিতীয় সুলাইমানের মৃত্যুর পর তিনি এই দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

২৫ জুন, ১৮৬১ খ্রিষ্টাব্দ (১৫/১৬ জিলহজ, ১২৭৭ হিজরি): উসমানি খেলাফতের ৩২তম সুলতান আবদুল আজিজ সিংহাসনে আরোহণ করেন। তিনি ছিলেন সুলতান দ্বিতীয় মাহমুদের পুত্র এবং সুলতান প্রথম আবদুল মজিদের উত্তরসূরি। তাঁর শাসনামলে, ১৮৭৫ সালে উসমানি নৌবাহিনী বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম নৌবহরে পরিণত হয়েছিল।

২৬ জুন, ১২৪৩ খ্রিষ্টাব্দ (২৮/২৯ জিলহজ, ৬৪০ হিজরি): বর্তমান তুরস্কের কোসে দাগে আনাতোলীয় সেলজুক সালতানাত এবং মঙ্গোল বাহিনীর মধ্যে ঐতিহাসিক কোসে দাগের যুদ্ধ সংঘটিত হয়। সুলতান দ্বিতীয় গিয়াসউদ্দিন কায়খসরুর নেতৃত্বাধীন সেলজুক বাহিনী মঙ্গোল সেনাপতি বাইজু নোইয়ানের কাছে পরাজিত হয়েছিল।

এই তথ্যগুলো সংকলন করেছেন আহমাদ ফাহমি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাউজানে গাছ নিয়ে বিরোধে চাচাতো ভাইয়ের আঘাতে জেঠাতো ভাই নিহত

মুসলিম বিশ্বের ঐতিহাসিক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলী ও ব্যক্তিত্বদের স্মরণে ক্যালেন্ডার

আপডেট সময় : ০১:১৪:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

ইসলামী ইতিহাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের স্মরণে একটি ক্যালেন্ডার উপস্থাপন করা হলো, যা মুসলিম বিশ্বের অতীত গৌরবের সাক্ষ্য বহন করে।

২০ জুন, ৬৫৬ খ্রিষ্টাব্দ (১৮ জিলহজ, ৩৫ হিজরি): ইসলামের তৃতীয় খলিফা এবং জান্নাতুল ফেরদাউসের সুসংবাদপ্রাপ্ত দশ সাহাবীর (আশারায়ে মুবাশশারাহ) অন্যতম সদস্য হযরত উসমান ইবনে আফফান (রা.) মদিনায় নিজ বাড়িতে কোরআন তিলাওয়াতরত অবস্থায় বিদ্রোহীদের হাতে শাহাদতবরণ করেন।

২১ জুন, ৮৭০ খ্রিষ্টাব্দ (রজব, ২৫৬ হিজরি): আব্বাসীয় খলিফা আল-মুহতাদি বিল্লাহ নিহত হন। তাঁর শাসনকাল এক বছরেরও কম সময়ের হলেও, ন্যায়বিচার, আধ্যাত্মিকতা, ইবাদত এবং প্রশাসনিক সততার জন্য তিনি তাঁর সমসাময়িকদের কাছে বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছিলেন।

২২ জুন, ১৬৯১ খ্রিষ্টাব্দ (২৪/২৫ রমজান, ১১০২ হিজরি): উসমানি খেলাফতের ২১তম সুলতান দ্বিতীয় আহমেদ সিংহাসনে আরোহণ করেন। তাঁর পূর্বসূরি ও বড় ভাই সুলতান দ্বিতীয় সুলাইমানের মৃত্যুর পর তিনি এই দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

২৫ জুন, ১৮৬১ খ্রিষ্টাব্দ (১৫/১৬ জিলহজ, ১২৭৭ হিজরি): উসমানি খেলাফতের ৩২তম সুলতান আবদুল আজিজ সিংহাসনে আরোহণ করেন। তিনি ছিলেন সুলতান দ্বিতীয় মাহমুদের পুত্র এবং সুলতান প্রথম আবদুল মজিদের উত্তরসূরি। তাঁর শাসনামলে, ১৮৭৫ সালে উসমানি নৌবাহিনী বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম নৌবহরে পরিণত হয়েছিল।

২৬ জুন, ১২৪৩ খ্রিষ্টাব্দ (২৮/২৯ জিলহজ, ৬৪০ হিজরি): বর্তমান তুরস্কের কোসে দাগে আনাতোলীয় সেলজুক সালতানাত এবং মঙ্গোল বাহিনীর মধ্যে ঐতিহাসিক কোসে দাগের যুদ্ধ সংঘটিত হয়। সুলতান দ্বিতীয় গিয়াসউদ্দিন কায়খসরুর নেতৃত্বাধীন সেলজুক বাহিনী মঙ্গোল সেনাপতি বাইজু নোইয়ানের কাছে পরাজিত হয়েছিল।

এই তথ্যগুলো সংকলন করেছেন আহমাদ ফাহমি।