ঢাকা ০৬:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

সাপাহারে আমের বাম্পার ফলন সত্ত্বেও চাষিদের চোখে জল, লোকসানের মুখে বাগান মালিকরা

দেশের অন্যতম বৃহত্তম আমের মোকাম নওগাঁর সাপাহারে এখন আমের ভরা মৌসুম। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত আম সংগ্রহ, বাছাই ও পাইকারি বিক্রিতে সরগরম পুরো এলাকা। তবে এই কর্মব্যস্ততার মাঝেও আমচাষিদের মধ্যে বিরাজ করছে চরম হতাশা। উৎপাদন খরচ কয়েকগুণ বেড়ে গেলেও বাজারে আমের কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ায় এবং ওজনে কারচুপির কারণে তারা লোকসানের আশঙ্কা করছেন।

চাষিদের অভিযোগ, গত এক বছরে সার, কীটনাশক, সেচ ও শ্রমিকের মজুরি উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু গত বছরের তুলনায় প্রতি মণে আমের দাম ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। এছাড়া প্রচলিত ৪০ কেজির মণের পরিবর্তে আড়তদাররা ৫২ থেকে ৫৫ কেজি পর্যন্ত আম দাবি করছেন, যাকে স্থানীয়ভাবে ‘ঢলন’ পদ্ধতি বলা হয়। এই প্রথার কারণে কৃষকরা চরম আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।

নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে সাপাহারে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। তবে চাষিরা বলছেন, ভ্যাপসা গরমের কারণে সব আম একসঙ্গে পেকে যাওয়ায় তারা দ্রুত বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় আড়তদারদের বেঁধে দেওয়া কম দামেই আম ছেড়ে দিতে হচ্ছে। কৃষকরা এই ওজনে কারচুপি বন্ধে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্রান্সে তীব্র তাপপ্রবাহের কবলে রাজধানী প্যারিস, ২৪ ঘণ্টায় ১০৯ জনের প্রাণহানি

সাপাহারে আমের বাম্পার ফলন সত্ত্বেও চাষিদের চোখে জল, লোকসানের মুখে বাগান মালিকরা

আপডেট সময় : ০৫:০২:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

দেশের অন্যতম বৃহত্তম আমের মোকাম নওগাঁর সাপাহারে এখন আমের ভরা মৌসুম। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত আম সংগ্রহ, বাছাই ও পাইকারি বিক্রিতে সরগরম পুরো এলাকা। তবে এই কর্মব্যস্ততার মাঝেও আমচাষিদের মধ্যে বিরাজ করছে চরম হতাশা। উৎপাদন খরচ কয়েকগুণ বেড়ে গেলেও বাজারে আমের কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ায় এবং ওজনে কারচুপির কারণে তারা লোকসানের আশঙ্কা করছেন।

চাষিদের অভিযোগ, গত এক বছরে সার, কীটনাশক, সেচ ও শ্রমিকের মজুরি উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু গত বছরের তুলনায় প্রতি মণে আমের দাম ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। এছাড়া প্রচলিত ৪০ কেজির মণের পরিবর্তে আড়তদাররা ৫২ থেকে ৫৫ কেজি পর্যন্ত আম দাবি করছেন, যাকে স্থানীয়ভাবে ‘ঢলন’ পদ্ধতি বলা হয়। এই প্রথার কারণে কৃষকরা চরম আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।

নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে সাপাহারে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। তবে চাষিরা বলছেন, ভ্যাপসা গরমের কারণে সব আম একসঙ্গে পেকে যাওয়ায় তারা দ্রুত বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় আড়তদারদের বেঁধে দেওয়া কম দামেই আম ছেড়ে দিতে হচ্ছে। কৃষকরা এই ওজনে কারচুপি বন্ধে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।