ঢাকা ০৭:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

সীতাকুণ্ড পৌরসভায় প্রশাসনিক স্থবিরতা: চরম ভোগান্তিতে পৌনে দুই লাখ নাগরিক

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড পৌরসভায় প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলা ও অভ্যন্তরীণ সমন্বয়হীনতার কারণে নাগরিক সেবা কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। পৌর সড়কগুলোর বেহাল দশা, মশার উপদ্রব এবং সুপেয় পানির সংকটে পৌনে দুই লাখ বাসিন্দা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। অভিযোগ উঠেছে, কর্মকর্তাদের মধ্যে জবাবদিহিতা না থাকায় এবং পৃথক প্রশাসনিক বলয় তৈরি হওয়ায় দীর্ঘদিনের এসব জনদুর্ভোগ নিরসনে কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হাজিরা ব্যবস্থা তিনটি আলাদা খাতার মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে, যা প্রশাসনিক শৃঙ্খলার চরম অবনতি নির্দেশ করে। এই অভ্যন্তরীণ বিরোধের ফলে উন্নয়নমূলক কাজ যেমন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, তেমনি স্ট্রিট লাইট ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমও ঝিমিয়ে পড়েছে। অনেক এলাকায় রাতের বেলা অন্ধকার থাকায় নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ছে।

পৌর কর্তৃপক্ষ স্বীকার করেছে যে, অভ্যন্তরীণ সমন্বয়হীনতাই বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। দ্রুত এই সংকট সমাধান করে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা না গেলে ভোগান্তি আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালীতে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা: নতুন হামলার পর হুমকির মুখে যুদ্ধবিরতি

সীতাকুণ্ড পৌরসভায় প্রশাসনিক স্থবিরতা: চরম ভোগান্তিতে পৌনে দুই লাখ নাগরিক

আপডেট সময় : ০৬:০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড পৌরসভায় প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলা ও অভ্যন্তরীণ সমন্বয়হীনতার কারণে নাগরিক সেবা কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। পৌর সড়কগুলোর বেহাল দশা, মশার উপদ্রব এবং সুপেয় পানির সংকটে পৌনে দুই লাখ বাসিন্দা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। অভিযোগ উঠেছে, কর্মকর্তাদের মধ্যে জবাবদিহিতা না থাকায় এবং পৃথক প্রশাসনিক বলয় তৈরি হওয়ায় দীর্ঘদিনের এসব জনদুর্ভোগ নিরসনে কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হাজিরা ব্যবস্থা তিনটি আলাদা খাতার মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে, যা প্রশাসনিক শৃঙ্খলার চরম অবনতি নির্দেশ করে। এই অভ্যন্তরীণ বিরোধের ফলে উন্নয়নমূলক কাজ যেমন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, তেমনি স্ট্রিট লাইট ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমও ঝিমিয়ে পড়েছে। অনেক এলাকায় রাতের বেলা অন্ধকার থাকায় নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ছে।

পৌর কর্তৃপক্ষ স্বীকার করেছে যে, অভ্যন্তরীণ সমন্বয়হীনতাই বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। দ্রুত এই সংকট সমাধান করে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা না গেলে ভোগান্তি আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল।