ঢাকা ০৬:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

যমুনার ভয়াবহ গ্রাসে বিলীন মসজিদ ও বসতবাড়ি, নাগরপুরে নদীভাঙন আতঙ্কে নির্ঘুম রাত

যমুনা নদীর তীব্র ভাঙনে টাঙ্গাইলের নাগরপুর ও সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। গত দুই দিনে সলিমাবাদ পশ্চিমপাড়া এলাকায় অন্তত সাতশ মিটার এলাকা নদীতে তলিয়ে গেছে। এতে একটি ঐতিহ্যবাহী পাকা মসজিদ, ছয়টি বসতবাড়ি এবং কয়েকশ একর ফসলি জমি যমুনার পেটে চলে গেছে। ঘরবাড়ি হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো।

স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার দুপুরে হঠাৎ ভাঙন তীব্র হলে মুহূর্তের মধ্যে আব্দুল হাই ও মাওলানা আব্দুল মজিদসহ কয়েকজনের বসতবাড়ি আসবাবপত্রসহ নদীতে তলিয়ে যায়। এর আগে গভীর রাতে এলাকার একটি প্রাচীন মসজিদ নদীগর্ভে বিলীন হয়। ভাঙন ঠেকাতে পানি উন্নয়ন বোর্ড জিও ব্যাগ ডাম্পিং করলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত সামান্য বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা এলাকা রক্ষায় দ্রুত স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেসুর রহমান জানান, নদীতে নতুন চর জেগে ওঠায় পানির স্রোত তীরের দিকে ধাবিত হচ্ছে এবং গভীরতা বেড়ে যাওয়ায় ভাঙন তীব্র হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে ভাঙন আতঙ্কে নদীপাড়ের মানুষ এখন চরম উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্রান্সে তীব্র তাপপ্রবাহের কবলে রাজধানী প্যারিস, ২৪ ঘণ্টায় ১০৯ জনের প্রাণহানি

যমুনার ভয়াবহ গ্রাসে বিলীন মসজিদ ও বসতবাড়ি, নাগরপুরে নদীভাঙন আতঙ্কে নির্ঘুম রাত

আপডেট সময় : ০৫:০২:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

যমুনা নদীর তীব্র ভাঙনে টাঙ্গাইলের নাগরপুর ও সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। গত দুই দিনে সলিমাবাদ পশ্চিমপাড়া এলাকায় অন্তত সাতশ মিটার এলাকা নদীতে তলিয়ে গেছে। এতে একটি ঐতিহ্যবাহী পাকা মসজিদ, ছয়টি বসতবাড়ি এবং কয়েকশ একর ফসলি জমি যমুনার পেটে চলে গেছে। ঘরবাড়ি হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো।

স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার দুপুরে হঠাৎ ভাঙন তীব্র হলে মুহূর্তের মধ্যে আব্দুল হাই ও মাওলানা আব্দুল মজিদসহ কয়েকজনের বসতবাড়ি আসবাবপত্রসহ নদীতে তলিয়ে যায়। এর আগে গভীর রাতে এলাকার একটি প্রাচীন মসজিদ নদীগর্ভে বিলীন হয়। ভাঙন ঠেকাতে পানি উন্নয়ন বোর্ড জিও ব্যাগ ডাম্পিং করলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত সামান্য বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা এলাকা রক্ষায় দ্রুত স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেসুর রহমান জানান, নদীতে নতুন চর জেগে ওঠায় পানির স্রোত তীরের দিকে ধাবিত হচ্ছে এবং গভীরতা বেড়ে যাওয়ায় ভাঙন তীব্র হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে ভাঙন আতঙ্কে নদীপাড়ের মানুষ এখন চরম উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।