ঢাকা ০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

উখিয়ায় ২১ বছর ধরে বন্ধ পাঠদান, ধ্বংসের মুখে পুঁটিবনিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের প্রত্যন্ত এলাকায় অবস্থিত পুঁটিবনিয়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি দীর্ঘ ২১ বছর ধরে বন্ধ রয়েছে। এক সময় কয়েকশ শিক্ষার্থীর পদচারণায় মুখরিত থাকলেও বর্তমানে বিদ্যালয় ভবনটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এই বিদ্যালয়ের ১০ কিলোমিটারের মধ্যে আর কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না থাকায় এলাকার শিশুরা দীর্ঘ সময় ধরে শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

বিদ্যালয়টি ১৯৯২ সালে স্থানীয়দের উদ্যোগে এবং পরবর্তীতে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের সহযোগিতায় একটি পাকা ভবন হিসেবে রূপ পায়। ১৯৯৮ সালে চার কক্ষবিশিষ্ট এই ভবনটি নির্মিত হয়েছিল। সে সময় স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের তৎকালীন চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত অর্থায়নে শিক্ষকদের বেতন প্রদান করা হতো। তবে ২০০৩ সালে তাঁর মৃত্যুর পর বিদ্যালয়টি আর্থিক সংকটে পড়ে এবং ২০০৫ সালে শিক্ষকদের বেতন-ভাতা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।

বর্তমানে জরাজীর্ণ ভবনটি ঝোপঝাড়ে ঢেকে গেছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীর দাবি, শিশুদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে বিদ্যালয়টি পুনরায় চালু করা প্রয়োজন। উখিয়া উপজেলা শিক্ষা বিভাগ বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালীতে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা: নতুন হামলার পর হুমকির মুখে যুদ্ধবিরতি

উখিয়ায় ২১ বছর ধরে বন্ধ পাঠদান, ধ্বংসের মুখে পুঁটিবনিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়

আপডেট সময় : ০৬:০৪:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের প্রত্যন্ত এলাকায় অবস্থিত পুঁটিবনিয়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি দীর্ঘ ২১ বছর ধরে বন্ধ রয়েছে। এক সময় কয়েকশ শিক্ষার্থীর পদচারণায় মুখরিত থাকলেও বর্তমানে বিদ্যালয় ভবনটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এই বিদ্যালয়ের ১০ কিলোমিটারের মধ্যে আর কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না থাকায় এলাকার শিশুরা দীর্ঘ সময় ধরে শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

বিদ্যালয়টি ১৯৯২ সালে স্থানীয়দের উদ্যোগে এবং পরবর্তীতে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের সহযোগিতায় একটি পাকা ভবন হিসেবে রূপ পায়। ১৯৯৮ সালে চার কক্ষবিশিষ্ট এই ভবনটি নির্মিত হয়েছিল। সে সময় স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের তৎকালীন চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত অর্থায়নে শিক্ষকদের বেতন প্রদান করা হতো। তবে ২০০৩ সালে তাঁর মৃত্যুর পর বিদ্যালয়টি আর্থিক সংকটে পড়ে এবং ২০০৫ সালে শিক্ষকদের বেতন-ভাতা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।

বর্তমানে জরাজীর্ণ ভবনটি ঝোপঝাড়ে ঢেকে গেছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীর দাবি, শিশুদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে বিদ্যালয়টি পুনরায় চালু করা প্রয়োজন। উখিয়া উপজেলা শিক্ষা বিভাগ বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছে।