ঢাকা ০৪:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

দক্ষিণ কোরিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা অঞ্চলে চীন-রাশিয়ার সামরিক বিমানের প্রবেশ, সিউলের যুদ্ধবিমান মোতায়েন

শনিবার দক্ষিণ কোরিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা শনাক্তকরণ অঞ্চলে (ADIZ) চীন ও রাশিয়ার ১০টিরও বেশি সামরিক বিমান প্রবেশ করেছে। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে দক্ষিণ কোরিয়া তাৎক্ষণিকভাবে তাদের যুদ্ধবিমান মোতায়েন করে।

দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ জানিয়েছে, চীনা ও রুশ বিমানগুলো পূর্ব সাগর এবং দক্ষিণ সাগরের ওপর দিয়ে কোরিয়া এয়ার ডিফেন্স আইডেন্টিফিকেশন জোনে (কাডিজ) প্রবেশ করে এবং পরে সেখান থেকে বেরিয়ে যায়।

সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যদিও এই সামরিক বিমানগুলো দক্ষিণ কোরিয়ার সার্বভৌম আকাশসীমা লঙ্ঘন করেনি, তবে এমন প্রবেশে সিউলের পক্ষ থেকে সতর্কতা জারি করা হয়। আকাশ প্রতিরক্ষা শনাক্তকরণ অঞ্চল কোনো দেশের সার্বভৌম আকাশসীমা নয়, এটি মূলত একটি নজরদারি এলাকা যেখানে নিরাপত্তার স্বার্থে প্রবেশকারী বিমান শনাক্ত করা হয়।

সাধারণত, সামরিক বিমানগুলো কোনো দেশের আকাশ প্রতিরক্ষা অঞ্চলে প্রবেশের আগে সংশ্লিষ্ট দেশকে অবহিত করে থাকে, যদিও আইনগতভাবে এই ধরনের পূর্বঘোষণা বাধ্যতামূলক নয়। এই ঘটনা সম্পর্কে চীন ও রাশিয়া তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদকের ভয়াবহ ঝুঁকি মোকাবেলায় জাতীয় ঐক্যের আহ্বান সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালের

দক্ষিণ কোরিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা অঞ্চলে চীন-রাশিয়ার সামরিক বিমানের প্রবেশ, সিউলের যুদ্ধবিমান মোতায়েন

আপডেট সময় : ০২:৩৯:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

শনিবার দক্ষিণ কোরিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা শনাক্তকরণ অঞ্চলে (ADIZ) চীন ও রাশিয়ার ১০টিরও বেশি সামরিক বিমান প্রবেশ করেছে। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে দক্ষিণ কোরিয়া তাৎক্ষণিকভাবে তাদের যুদ্ধবিমান মোতায়েন করে।

দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ জানিয়েছে, চীনা ও রুশ বিমানগুলো পূর্ব সাগর এবং দক্ষিণ সাগরের ওপর দিয়ে কোরিয়া এয়ার ডিফেন্স আইডেন্টিফিকেশন জোনে (কাডিজ) প্রবেশ করে এবং পরে সেখান থেকে বেরিয়ে যায়।

সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যদিও এই সামরিক বিমানগুলো দক্ষিণ কোরিয়ার সার্বভৌম আকাশসীমা লঙ্ঘন করেনি, তবে এমন প্রবেশে সিউলের পক্ষ থেকে সতর্কতা জারি করা হয়। আকাশ প্রতিরক্ষা শনাক্তকরণ অঞ্চল কোনো দেশের সার্বভৌম আকাশসীমা নয়, এটি মূলত একটি নজরদারি এলাকা যেখানে নিরাপত্তার স্বার্থে প্রবেশকারী বিমান শনাক্ত করা হয়।

সাধারণত, সামরিক বিমানগুলো কোনো দেশের আকাশ প্রতিরক্ষা অঞ্চলে প্রবেশের আগে সংশ্লিষ্ট দেশকে অবহিত করে থাকে, যদিও আইনগতভাবে এই ধরনের পূর্বঘোষণা বাধ্যতামূলক নয়। এই ঘটনা সম্পর্কে চীন ও রাশিয়া তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।