ঢাকা ০৪:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

হিজবুল্লাহ নিরস্ত্র না হলে লেবানন ছাড়বে না ইসরায়েলি বাহিনী: নেতানিয়াহু

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সম্প্রতি এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, যতক্ষণ পর্যন্ত হিজবুল্লাহ নিরস্ত্র না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত দক্ষিণ লেবাননে তাদের সামরিক বাহিনীর অবস্থান বজায় থাকবে। এই ঘোষণা এমন এক সময়ে এলো যখন ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে কয়েক মাস ধরে চলা সংঘাত নিরসনে একটি ত্রিপক্ষীয় কাঠামোগত সমঝোতায় পৌঁছেছে বৈরুত ও তেলআবিব।

নেতানিয়াহু এই সমঝোতাকে ইরানের জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তার মতে, তেহরান দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারে বাধ্য করতে চেয়েছিল, যা এই সমঝোতার মাধ্যমে সম্ভব হয়নি।

এর আগে, ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের উদ্যোগে ওয়াশিংটনে পাঁচ দফা আলোচনার পর যুক্তরাষ্ট্র, লেবানন ও ইসরায়েল একটি ত্রিপক্ষীয় কাঠামোগত সমঝোতায় পৌঁছাতে সম্মত হয়। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এই চুক্তিকে ‘শুরুরও শুরু’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর জন্য জাতিসংঘের সমন্বয়ে ১০০ মিলিয়ন ডলার মানবিক সহায়তা এবং লেবাননের সামরিক বাহিনীকে সহায়তার জন্য ৩০ মিলিয়ন ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদকের ভয়াবহ ঝুঁকি মোকাবেলায় জাতীয় ঐক্যের আহ্বান সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালের

হিজবুল্লাহ নিরস্ত্র না হলে লেবানন ছাড়বে না ইসরায়েলি বাহিনী: নেতানিয়াহু

আপডেট সময় : ০২:৩৯:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সম্প্রতি এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, যতক্ষণ পর্যন্ত হিজবুল্লাহ নিরস্ত্র না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত দক্ষিণ লেবাননে তাদের সামরিক বাহিনীর অবস্থান বজায় থাকবে। এই ঘোষণা এমন এক সময়ে এলো যখন ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে কয়েক মাস ধরে চলা সংঘাত নিরসনে একটি ত্রিপক্ষীয় কাঠামোগত সমঝোতায় পৌঁছেছে বৈরুত ও তেলআবিব।

নেতানিয়াহু এই সমঝোতাকে ইরানের জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তার মতে, তেহরান দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারে বাধ্য করতে চেয়েছিল, যা এই সমঝোতার মাধ্যমে সম্ভব হয়নি।

এর আগে, ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের উদ্যোগে ওয়াশিংটনে পাঁচ দফা আলোচনার পর যুক্তরাষ্ট্র, লেবানন ও ইসরায়েল একটি ত্রিপক্ষীয় কাঠামোগত সমঝোতায় পৌঁছাতে সম্মত হয়। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এই চুক্তিকে ‘শুরুরও শুরু’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর জন্য জাতিসংঘের সমন্বয়ে ১০০ মিলিয়ন ডলার মানবিক সহায়তা এবং লেবাননের সামরিক বাহিনীকে সহায়তার জন্য ৩০ মিলিয়ন ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।