দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় মাদকের বিস্তার বর্তমানে এক চরম উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। এক সময় এই অঞ্চলে মাদকের প্রভাব সীমিত থাকলেও বর্তমানে তা সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ছড়িয়ে পড়েছে। ইয়াবা, গাঁজা, ফেনসিডিল ও দেশি মদের মতো মরণনেশা এখন সহজলভ্য হয়ে ওঠায় নিম্নবিত্ত থেকে শুরু করে সচ্ছল পরিবারের সন্তানরাও এর জালে আটকা পড়ছে। ফলে সামাজিক স্থিতিশীলতা নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এক বিশাল ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ও হাট-বাজারে মাদক কারবারিদের একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়মিত অভিযান চালিয়ে মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তার করলেও এই অবৈধ বাণিজ্য পুরোপুরি বন্ধ করা যাচ্ছে না। বরং সময়ের সাথে সাথে তারা নতুন নতুন কৌশল অবলম্বন করে তাদের কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে মোটরসাইকেল ও ইজিবাইকের মাধ্যমে ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতারা গ্রাহকদের কাছে মাদক পৌঁছে দেওয়ায় মূল হোতাদের শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ অনুযায়ী, খানসামা সদর, পাকেরহাট, জয়গঞ্জ, এবং ভাবকি ইউনিয়নের বিভিন্ন পয়েন্টে নিয়মিত মাদক কেনাবেচা চলে। মাদক এখন আর নির্দিষ্ট কোনো গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নেই। উচ্চবিত্ত থেকে নিম্ন আয়ের মানুষ পর্যন্ত বিভিন্ন পেশার মানুষ এতে জড়িয়ে পড়ছে। বিশেষ করে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া তরুণদের মধ্যে এই প্রবণতা সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা স্থানীয় অভিভাবকদের কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।
রিপোর্টারের নাম 
























