ঢাকা ০৮:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

দিনাজপুরে ১১ কোটি টাকার মাদক ও চোরাচালান পণ্য ধ্বংস করল বিজিবি

দিনাজপুরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান পণ্য ধ্বংস করেছে। শুক্রবার সকালে বিজিবির দিনাজপুর সেক্টর সদর দপ্তরের প্রশিক্ষণ মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রায় ১০ কোটি ৮২ লাখ টাকা মূল্যের এসব অবৈধ পণ্য ধ্বংস করা হয়। মূলত ‘মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার মো. শহিদুল ইসলাম। বিজিবির দিনাজপুর সেক্টরের অধীনস্থ জয়পুরহাট, ফুলবাড়ী ও দিনাজপুর ব্যাটালিয়নের অভিযানে বিভিন্ন সময়ে জব্দকৃত এসব মাদক ও মালামাল জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়। বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানান, দেশের সীমান্ত সুরক্ষা এবং মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে তাদের এই অভিযান ও তৎপরতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, মাদক একটি নীরব ঘাতক যা তরুণ সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বিজিবির এই কঠোর অবস্থান মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সীমান্তে বিজিবির সদস্যরা দিনরাত নিরলসভাবে মাদক ও চোরাচালান দমনে কাজ করে যাচ্ছেন, যা দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুরক্ষায় অত্যন্ত জরুরি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রথম বিদেশ সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

দিনাজপুরে ১১ কোটি টাকার মাদক ও চোরাচালান পণ্য ধ্বংস করল বিজিবি

আপডেট সময় : ০৭:১৯:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

দিনাজপুরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান পণ্য ধ্বংস করেছে। শুক্রবার সকালে বিজিবির দিনাজপুর সেক্টর সদর দপ্তরের প্রশিক্ষণ মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রায় ১০ কোটি ৮২ লাখ টাকা মূল্যের এসব অবৈধ পণ্য ধ্বংস করা হয়। মূলত ‘মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার মো. শহিদুল ইসলাম। বিজিবির দিনাজপুর সেক্টরের অধীনস্থ জয়পুরহাট, ফুলবাড়ী ও দিনাজপুর ব্যাটালিয়নের অভিযানে বিভিন্ন সময়ে জব্দকৃত এসব মাদক ও মালামাল জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়। বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানান, দেশের সীমান্ত সুরক্ষা এবং মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে তাদের এই অভিযান ও তৎপরতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, মাদক একটি নীরব ঘাতক যা তরুণ সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বিজিবির এই কঠোর অবস্থান মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সীমান্তে বিজিবির সদস্যরা দিনরাত নিরলসভাবে মাদক ও চোরাচালান দমনে কাজ করে যাচ্ছেন, যা দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুরক্ষায় অত্যন্ত জরুরি।