ঢাকা ০৭:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

‘ব্যাংক লুটেরাদেরই কেন মালিকানা ফেরত দেওয়া হচ্ছে?’—বাজেট অধিবেশনে সাংসদ আখতারের ক্ষোভ

জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে ব্যাংক খাতের চরম অব্যবস্থাপনা ও অর্থ পাচার নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব ও রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, যেসব মালিকরা জালিয়াতি ও লুটপাটের মাধ্যমে ব্যাংকগুলোকে দেউলিয়া করেছে, তাদেরকেই কেন মাত্র সাড়ে ৭ শতাংশ টাকা ফেরতের বিনিময়ে পুনরায় মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।

সংসদ সদস্য আখতার হোসেন প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটকে মধ্যবিত্তের জন্য ‘মরণফাঁদ’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, বিগত সরকারের সময় দেশ থেকে প্রায় ৩০ লাখ কোটি টাকা পাচার হয়েছে, যার ফলে দেশের অর্থনীতি এখন রিক্ত। অভ্যন্তরীণ ব্যাংকগুলো থেকে সরকারের অতিরিক্ত ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনার সমালোচনা করে তিনি বলেন, এর ফলে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহ কমে যাবে এবং কর্মসংস্থান বাধাগ্রস্ত হবে।

বক্তব্যে তিনি আরও উল্লেখ করেন, জ্বালানি ও বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে সরকার আগেই মূল্যস্ফীতির বোঝা জনগণের ওপর চাপিয়ে দিয়েছে। ব্যাংক খাতের সংস্কারে ব্যর্থ হওয়ায় আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত পূরণ সম্ভব হচ্ছে না বলেও তিনি দাবি করেন। খেলাপি ঋণের কারণে সংসদের কয়েকজন সদস্যের শপথ নিতে না পারার বিষয়টিও তিনি অধিবেশনে তুলে ধরেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভেনেজুয়েলার ভূমিকম্প বাংলাদেশের জন্য বড় সতর্কবার্তা: শায়খ আহমাদুল্লাহ

‘ব্যাংক লুটেরাদেরই কেন মালিকানা ফেরত দেওয়া হচ্ছে?’—বাজেট অধিবেশনে সাংসদ আখতারের ক্ষোভ

আপডেট সময় : ০৬:০১:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে ব্যাংক খাতের চরম অব্যবস্থাপনা ও অর্থ পাচার নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব ও রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, যেসব মালিকরা জালিয়াতি ও লুটপাটের মাধ্যমে ব্যাংকগুলোকে দেউলিয়া করেছে, তাদেরকেই কেন মাত্র সাড়ে ৭ শতাংশ টাকা ফেরতের বিনিময়ে পুনরায় মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।

সংসদ সদস্য আখতার হোসেন প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটকে মধ্যবিত্তের জন্য ‘মরণফাঁদ’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, বিগত সরকারের সময় দেশ থেকে প্রায় ৩০ লাখ কোটি টাকা পাচার হয়েছে, যার ফলে দেশের অর্থনীতি এখন রিক্ত। অভ্যন্তরীণ ব্যাংকগুলো থেকে সরকারের অতিরিক্ত ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনার সমালোচনা করে তিনি বলেন, এর ফলে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহ কমে যাবে এবং কর্মসংস্থান বাধাগ্রস্ত হবে।

বক্তব্যে তিনি আরও উল্লেখ করেন, জ্বালানি ও বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে সরকার আগেই মূল্যস্ফীতির বোঝা জনগণের ওপর চাপিয়ে দিয়েছে। ব্যাংক খাতের সংস্কারে ব্যর্থ হওয়ায় আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত পূরণ সম্ভব হচ্ছে না বলেও তিনি দাবি করেন। খেলাপি ঋণের কারণে সংসদের কয়েকজন সদস্যের শপথ নিতে না পারার বিষয়টিও তিনি অধিবেশনে তুলে ধরেন।