ঢাকা ০৯:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

আদালতে আসামির বদলে ‘প্রক্সি’ দিতে এসে ধরা পড়লেন নারী

ঢাকার একটি আদালতে চেক জালিয়াতি মামলায় মূল আসামির পরিবর্তে ভাড়ায় ‘প্রক্সি’ দিতে এসে ধরা পড়েছেন মনোয়ারা বেগম নামে এক নারী। বৃহস্পতিবার ২৯ লাখ টাকার চেক ডিজঅনার মামলার মূল আসামি নাসরিন শিকদারের হয়ে তিনি আত্মসমর্পণ করতে গেলে আদালতের বিচারকের নজরে বিষয়টি ধরা পড়ে। ঢাকার চার নম্বর যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ তানিয়া সুলতানা লিপি তাৎক্ষণিকভাবে ওই নারীকে আটকের নির্দেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, মনোয়ারা বেগম পেশায় একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী। তাকে ভুল বুঝিয়ে বা অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। শুনানির সময় আসামির পরিচয় নিয়ে সন্দেহ হলে বিচারক তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন এবং জালিয়াতি হাতেনাতে ধরা পড়ে। এ সময় সংশ্লিষ্ট আইনজীবী কৌশলে আদালত কক্ষ থেকে পালিয়ে যান।

এই নজিরবিহীন জালিয়াতির ঘটনায় জড়িত আইনজীবী, মূল আসামি এবং প্রক্সি দেওয়া নারীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আটক মনোয়ারা বেগম কান্নায় ভেঙে পড়ে জানান, তিনি আইনের মারপ্যাঁচ বোঝেন না এবং জনৈক আইনজীবীর কথাতেই তিনি এখানে এসেছিলেন। এই ঘটনায় আদালত পাড়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কুমিল্লায় ট্রেনে টাস্কফোর্সের অভিযান: কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ

আদালতে আসামির বদলে ‘প্রক্সি’ দিতে এসে ধরা পড়লেন নারী

আপডেট সময় : ০৮:২১:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

ঢাকার একটি আদালতে চেক জালিয়াতি মামলায় মূল আসামির পরিবর্তে ভাড়ায় ‘প্রক্সি’ দিতে এসে ধরা পড়েছেন মনোয়ারা বেগম নামে এক নারী। বৃহস্পতিবার ২৯ লাখ টাকার চেক ডিজঅনার মামলার মূল আসামি নাসরিন শিকদারের হয়ে তিনি আত্মসমর্পণ করতে গেলে আদালতের বিচারকের নজরে বিষয়টি ধরা পড়ে। ঢাকার চার নম্বর যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ তানিয়া সুলতানা লিপি তাৎক্ষণিকভাবে ওই নারীকে আটকের নির্দেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, মনোয়ারা বেগম পেশায় একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী। তাকে ভুল বুঝিয়ে বা অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। শুনানির সময় আসামির পরিচয় নিয়ে সন্দেহ হলে বিচারক তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন এবং জালিয়াতি হাতেনাতে ধরা পড়ে। এ সময় সংশ্লিষ্ট আইনজীবী কৌশলে আদালত কক্ষ থেকে পালিয়ে যান।

এই নজিরবিহীন জালিয়াতির ঘটনায় জড়িত আইনজীবী, মূল আসামি এবং প্রক্সি দেওয়া নারীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আটক মনোয়ারা বেগম কান্নায় ভেঙে পড়ে জানান, তিনি আইনের মারপ্যাঁচ বোঝেন না এবং জনৈক আইনজীবীর কথাতেই তিনি এখানে এসেছিলেন। এই ঘটনায় আদালত পাড়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।