২০২৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে ৩-০ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে ব্রাজিল। তবে ম্যাচের ফলের চেয়েও বেশি আলোচনায় ছিল এক প্রত্যাবর্তন—দীর্ঘ ৯৮১ দিন পর আবার জাতীয় দলের জার্সিতে মাঠে ফিরেছেন নেইমার।
ইনজুরি কাটিয়ে দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন ব্রাজিলের নাম্বার টেন। তার ফেরায় উচ্ছ্বসিত হয়ে উঠেছে পুরো ব্রাজিল শিবির। আর সবচেয়ে আবেগঘন প্রতিক্রিয়া এসেছে সতীর্থ ভিনিসিউস জুনিয়রের কাছ থেকে।
ম্যাচ শেষে রিয়াল মাদ্রিদ তারকা বলেন, “নেইমারের ফেরাটা আমাদের সবার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মুহূর্ত। কারণ আমাদের আইডল ফিরে এসেছে।”
তিনি আরও বলেন, “সে এমন একজন মানুষ, যে সবসময় এই দলের জন্য লড়াই করেছে এবং নিজের সর্বোচ্চটা দিয়েছে। ইনজুরির কঠিন সময় পার করে সে আবার ফিরেছে। আমি আশা করি, সে ধীরে ধীরে নিজের সেরা ছন্দ ফিরে পাবে এবং পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে আমাদের সাহায্য করবে।”
ব্রাজিলের বর্তমান প্রজন্মের অনেক ফুটবলারের মতো ভিনিসিউসও ছোটবেলা থেকেই নেইমারকে অনুসরণ করে বড় হয়েছেন। তাই জাতীয় দলে তার প্রত্যাবর্তন শুধু মাঠের পারফরম্যান্সের দিক থেকেই নয়, দলের আত্মবিশ্বাস ও মানসিক শক্তির জন্যও বড় প্রাপ্তি বলে মনে করছেন অনেকে।
নেইমারের ফেরার দিনে নিজের পারফরম্যান্সেও আলো ছড়িয়েছেন ভিনিসিউস। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে জোড়া গোল করে চলতি বিশ্বকাপে নিজের গোলসংখ্যা চারটিতে উন্নীত করেছেন এই ফরোয়ার্ড। একই সঙ্গে টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত পাঁচটি গোলে সরাসরি অবদান রেখেছেন তিনি।
স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে তিন ম্যাচে সাত পয়েন্ট নিয়ে ‘সি’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে ব্রাজিল। শেষ ষোলো শুরুর আগে নেইমারের প্রত্যাবর্তন সেলেসাওদের জন্য বাড়তি আত্মবিশ্বাসের উৎস হয়ে উঠেছে।
রিপোর্টারের নাম 






















