ঢাকা ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

সিলেট সীমান্তে বাংলাদেশি কৃষকের লাশ উদ্ধার, শরীরে আঘাতের চিহ্ন

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৫:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার দমদমা সীমান্তে ভারতের অভ্যন্তর থেকে মিক কন্দ জানী (৬০) নামে এক বাংলাদেশির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (২৪ জুন) সন্ধ্যায় সীমান্তের ১০০ গজ ভারতের ভেতর থেকে স্বজনরা তার লাশ বাংলাদেশে নিয়ে আসেন। মৃত মিক কন্দ জানী কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার তুরুং গ্রামের কুলিবস্তির মৃত শুকরিয়া কন্দ জানীর ছেলে।

স্বজনরা জানিয়েছেন, মিক কন্দ জানীর বাড়ি সীমান্তের জিরো পয়েন্ট এলাকায় হওয়ায় তিনি প্রায় প্রতিদিন ভারতের ওপারে গিয়ে কাঠ ও মৌসুমি ফলমূল শ্রমের বিনিময়ে নিয়ে আসতেন। তিনি ভারতীয় খাসিয়াদের বাগানে দিনমজুর হিসেবে কাজ করতেন। বুধবার সকালে তিনি ভারতে যান এবং দিন শেষে ফিরে না আসায় স্বজনরা তাকে খুঁজতে বের হন। পরে ১২৬০ নম্বর সীমান্ত পিলারের ভারতের অভ্যন্তরে একটি ছড়ার পানিতে মিক কন্দ জানীর নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন তার ভাই নিখিল।

স্বজনরা মরদেহ উদ্ধার করে বাংলাদেশে নিয়ে আসার পর লাশের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত এবং কাটার চিহ্ন দেখতে পান। সুরতহাল প্রতিবেদনকারী কর্মকর্তা এসআই ওলি উল্লাহ জানিয়েছেন, মৃতের শরীরে বেশ কয়েকটি আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে এবং কান ও চোখের আঘাত দেখে গুলি করার আলামত মিলেছে। কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি শফিকুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউনিলিভারের উদ্যোগে পরিবেশ সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ

সিলেট সীমান্তে বাংলাদেশি কৃষকের লাশ উদ্ধার, শরীরে আঘাতের চিহ্ন

আপডেট সময় : ০৩:৪৫:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার দমদমা সীমান্তে ভারতের অভ্যন্তর থেকে মিক কন্দ জানী (৬০) নামে এক বাংলাদেশির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (২৪ জুন) সন্ধ্যায় সীমান্তের ১০০ গজ ভারতের ভেতর থেকে স্বজনরা তার লাশ বাংলাদেশে নিয়ে আসেন। মৃত মিক কন্দ জানী কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার তুরুং গ্রামের কুলিবস্তির মৃত শুকরিয়া কন্দ জানীর ছেলে।

স্বজনরা জানিয়েছেন, মিক কন্দ জানীর বাড়ি সীমান্তের জিরো পয়েন্ট এলাকায় হওয়ায় তিনি প্রায় প্রতিদিন ভারতের ওপারে গিয়ে কাঠ ও মৌসুমি ফলমূল শ্রমের বিনিময়ে নিয়ে আসতেন। তিনি ভারতীয় খাসিয়াদের বাগানে দিনমজুর হিসেবে কাজ করতেন। বুধবার সকালে তিনি ভারতে যান এবং দিন শেষে ফিরে না আসায় স্বজনরা তাকে খুঁজতে বের হন। পরে ১২৬০ নম্বর সীমান্ত পিলারের ভারতের অভ্যন্তরে একটি ছড়ার পানিতে মিক কন্দ জানীর নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন তার ভাই নিখিল।

স্বজনরা মরদেহ উদ্ধার করে বাংলাদেশে নিয়ে আসার পর লাশের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত এবং কাটার চিহ্ন দেখতে পান। সুরতহাল প্রতিবেদনকারী কর্মকর্তা এসআই ওলি উল্লাহ জানিয়েছেন, মৃতের শরীরে বেশ কয়েকটি আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে এবং কান ও চোখের আঘাত দেখে গুলি করার আলামত মিলেছে। কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি শফিকুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।