ঢাকা ১০:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

শরীয়তপুরে চাঁদাবাজি ও লুটপাটের মামলায় বিএনপি নেতা সুরুজ মাদবর ও তার ছেলে কারাগারে

শরীয়তপুরের জাজিরায় চাঁদাবাজি, লুটপাট এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখলের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সুরুজ মাদবর ও তার ছেলে স্বাধীন মাদবরকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার শরীয়তপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে বিচারক আয়েশা আক্তার তা নামঞ্জুর করে তাদের জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, স্থানীয় ব্যবসায়ী সোবহান মাদবরের কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করার অভিযোগ ওঠে এই বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে। চাঁদা না দেওয়ায় গত বছরের ডিসেম্বর মাসে বাদীর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও প্রায় ৪০ লাখ টাকার মালামাল লুট করা হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। এরপর ভুক্তভোগী আদালতের দ্বারস্থ হলে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

আসামিরা এর আগে উচ্চ আদালত থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিনে ছিলেন। জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নিম্ন আদালতে হাজির হলে আদালত তাদের স্থায়ী জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বাদীপক্ষ এই আদেশে সন্তোষ প্রকাশ করে ন্যায়বিচারের আশা ব্যক্ত করেছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের ৪৫০ মিলিয়ন ডলারের অনুমোদন

শরীয়তপুরে চাঁদাবাজি ও লুটপাটের মামলায় বিএনপি নেতা সুরুজ মাদবর ও তার ছেলে কারাগারে

আপডেট সময় : ০৯:০৭:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

শরীয়তপুরের জাজিরায় চাঁদাবাজি, লুটপাট এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখলের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সুরুজ মাদবর ও তার ছেলে স্বাধীন মাদবরকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার শরীয়তপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে বিচারক আয়েশা আক্তার তা নামঞ্জুর করে তাদের জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, স্থানীয় ব্যবসায়ী সোবহান মাদবরের কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করার অভিযোগ ওঠে এই বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে। চাঁদা না দেওয়ায় গত বছরের ডিসেম্বর মাসে বাদীর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও প্রায় ৪০ লাখ টাকার মালামাল লুট করা হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। এরপর ভুক্তভোগী আদালতের দ্বারস্থ হলে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

আসামিরা এর আগে উচ্চ আদালত থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিনে ছিলেন। জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নিম্ন আদালতে হাজির হলে আদালত তাদের স্থায়ী জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বাদীপক্ষ এই আদেশে সন্তোষ প্রকাশ করে ন্যায়বিচারের আশা ব্যক্ত করেছেন।