জাতীয় সংসদে মসজিদে রাজনীতি বন্ধের দাবিকে ‘ফ্যাসিবাদী’ বলে অভিহিত করেছেন পাবনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান। তিনি বলেন, মসজিদ আমাদের দুর্গ, যা আমাদের ঈমান ও আত্মরক্ষার প্রতীক। এই ধরনের দাবির সঙ্গে তিনি অতীতে নিষিদ্ধ হওয়া একটি দলের উত্থানের উদাহরণ টেনে আনেন এবং বলেন যে, শেষ পর্যন্ত জনগণের রায়ই বলবৎ থাকে।
বুধবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে নাজিবুর রহমান বলেন, এই সংসদে মসজিদে রাজনীতি বন্ধের পাশাপাশি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকেও নিষিদ্ধ করার দাবি উঠেছে। তিনি মনে করেন, এই ধরনের দাবি অতীতেও একটি রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের পক্ষ থেকে করা হয়েছিল, কিন্তু জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে।
বাজেট প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় সংসদ সদস্যদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। নাজিবুর রহমান বলেন, সংসদ সদস্যরা বাজেট নিয়ে প্রণীত বই পড়েন না এবং পড়ার প্রয়োজনও অনুভব করেন না, কারণ তারা বাজেট প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় সরাসরি যুক্ত থাকেন না। তাদের ভূমিকা কেবল বাজেট পাসে সীমাবদ্ধ থাকে, যা সংসদীয় গণতন্ত্রের জন্য স্বাস্থ্যকর নয়। তিনি বলেন, সংসদীয় গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে হলে বাজেট প্রণয়নে সংসদ সদস্যদের আরও বেশি সম্পৃক্ত করতে হবে এবং আইন করে মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটিগুলোতে বাজেট পর্যালোচনা করার ব্যবস্থা করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, যে বাজেট নিয়ে সংসদ সদস্যরা বিতর্ক করেন, সেই বাজেট প্রণয়নে তাদের প্রকৃত অংশগ্রহণ কতটুকু, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, অন্যান্য সংসদীয় গণতন্ত্রের দেশগুলোতে সংসদ সদস্যদের বাজেট প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় আরও বেশি সম্পৃক্ততা থাকে।
রিপোর্টারের নাম 


















