ঢাকা ১০:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

বিড়ালপ্রেমীদের জন্য মুহাম্মদ রাজের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: আসছে বিশুদ্ধ ব্রিটিশ শর্ট হেয়ার, থাকছে রেসকিউ টিম ও ক্যাট হোস্টেলের পরিকল্পনা

বিড়ালকে ঘিরে মানুষের ভালোবাসা সুপ্রাচীন, যা ইসলামের ইতিহাসেও গভীরভাবে প্রোথিত। সেই ঐতিহ্য ও ভালোবাসাকে সঙ্গী করে বাংলাদেশের বিড়ালপ্রেমীদের জন্য এক নতুন উদ্যোগ নিয়ে এসেছেন মুহাম্মদ রাজ। তার এই প্রকল্পের নাম ‘মিউ মিউ ব্রিটিশ ক্যাটস’।

মুহাম্মদ রাজ হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশের মহাপরিচালক এবং দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম মানবাধিকার সংস্থা সার্ক হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের আন্তর্জাতিক মানবাধিকার পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। প্রাণী আমদানি ও রপ্তানির বৈধ লাইসেন্স থাকলেও তিনি জানিয়েছেন, শুধুমাত্র পৃথিবীর অন্যতম সেরা বিড়াল প্রজাতি ব্রিটিশ শর্ট হেয়ার নিয়েই শখের বশে অবসর সময়ে কাজ করবেন।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, রাশিয়া, ইংল্যান্ড ও আমেরিকার মতো দেশ থেকে সরাসরি বিশুদ্ধ জাতের ব্রিটিশ শর্ট হেয়ার আনা হবে, যাতে দেশের মানুষ কোনো প্রতারণার ভয় ছাড়াই নিশ্চিন্তে আসল ব্রিড সংগ্রহ করতে পারে। জানা গেছে, খুব শিগগিরই রাশিয়া থেকে পূর্ণাঙ্গ পেডিগ্রি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ দুটি নতুন বিড়াল আসছে।

মুহাম্মদ রাজের পরিকল্পনা শুধু বিড়াল সংগ্রহেই সীমাবদ্ধ নয়। ২০২৬ সালের ১০ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে তার নিজস্ব ওয়েবসাইট চালু হবে, যেখানে বিড়ালপ্রেমীরা বিভিন্ন জাত, যত্ন, স্বাস্থ্য ও সংগ্রহ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাবেন। এই ওয়েবসাইট ঘিরে ইতোমধ্যে বিড়ালপ্রেমীদের মধ্যে দারুণ আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

এছাড়াও, তিনি বিড়ালের পাশাপাশি রাস্তায় কষ্ট পাওয়া যেকোনো প্রাণীর সেবায় একটি রেসকিউ টিম গড়ে তোলার পরিকল্পনা করেছেন। এই দল অসুস্থ, আহত ও অবহেলিত প্রাণীদের উদ্ধার করে তাদের চিকিৎসা ও যত্নের ব্যবস্থা করবে। এর মাধ্যমে তিনি কেবল সুন্দর জাতের বিড়াল ঘরে আনাই নয়, পথের অসহায় প্রাণীর পাশে দাঁড়ানোকেও প্রকৃত ভালোবাসা হিসেবে তুলে ধরতে চান।

পরিকল্পনায় একটি ক্যাট হোস্টেলও রয়েছে, যেখানে মালিকরা প্রয়োজনে তাদের আদরের বিড়ালকে নিরাপদে রেখে যেতে পারবেন। ভ্রমণ বা ব্যস্ততার কারণে বিড়ালের যত্ন নিতে না পারলে, এই হোস্টেলে পেশাদার তত্ত্বাবধানে বিড়াল সম্পূর্ণ নিরাপদ ও আদরে থাকবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীতে চাঁদাবাজির তাণ্ডব: মোহাম্মদপুরসহ একাধিক এলাকা আতঙ্কের জনপদ, সক্রিয় অর্ধশত চক্র

বিড়ালপ্রেমীদের জন্য মুহাম্মদ রাজের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: আসছে বিশুদ্ধ ব্রিটিশ শর্ট হেয়ার, থাকছে রেসকিউ টিম ও ক্যাট হোস্টেলের পরিকল্পনা

আপডেট সময় : ০১:২৩:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

বিড়ালকে ঘিরে মানুষের ভালোবাসা সুপ্রাচীন, যা ইসলামের ইতিহাসেও গভীরভাবে প্রোথিত। সেই ঐতিহ্য ও ভালোবাসাকে সঙ্গী করে বাংলাদেশের বিড়ালপ্রেমীদের জন্য এক নতুন উদ্যোগ নিয়ে এসেছেন মুহাম্মদ রাজ। তার এই প্রকল্পের নাম ‘মিউ মিউ ব্রিটিশ ক্যাটস’।

মুহাম্মদ রাজ হাফেজ্জী চ্যারিটেবল সোসাইটি অব বাংলাদেশের মহাপরিচালক এবং দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম মানবাধিকার সংস্থা সার্ক হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের আন্তর্জাতিক মানবাধিকার পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। প্রাণী আমদানি ও রপ্তানির বৈধ লাইসেন্স থাকলেও তিনি জানিয়েছেন, শুধুমাত্র পৃথিবীর অন্যতম সেরা বিড়াল প্রজাতি ব্রিটিশ শর্ট হেয়ার নিয়েই শখের বশে অবসর সময়ে কাজ করবেন।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, রাশিয়া, ইংল্যান্ড ও আমেরিকার মতো দেশ থেকে সরাসরি বিশুদ্ধ জাতের ব্রিটিশ শর্ট হেয়ার আনা হবে, যাতে দেশের মানুষ কোনো প্রতারণার ভয় ছাড়াই নিশ্চিন্তে আসল ব্রিড সংগ্রহ করতে পারে। জানা গেছে, খুব শিগগিরই রাশিয়া থেকে পূর্ণাঙ্গ পেডিগ্রি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ দুটি নতুন বিড়াল আসছে।

মুহাম্মদ রাজের পরিকল্পনা শুধু বিড়াল সংগ্রহেই সীমাবদ্ধ নয়। ২০২৬ সালের ১০ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে তার নিজস্ব ওয়েবসাইট চালু হবে, যেখানে বিড়ালপ্রেমীরা বিভিন্ন জাত, যত্ন, স্বাস্থ্য ও সংগ্রহ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাবেন। এই ওয়েবসাইট ঘিরে ইতোমধ্যে বিড়ালপ্রেমীদের মধ্যে দারুণ আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

এছাড়াও, তিনি বিড়ালের পাশাপাশি রাস্তায় কষ্ট পাওয়া যেকোনো প্রাণীর সেবায় একটি রেসকিউ টিম গড়ে তোলার পরিকল্পনা করেছেন। এই দল অসুস্থ, আহত ও অবহেলিত প্রাণীদের উদ্ধার করে তাদের চিকিৎসা ও যত্নের ব্যবস্থা করবে। এর মাধ্যমে তিনি কেবল সুন্দর জাতের বিড়াল ঘরে আনাই নয়, পথের অসহায় প্রাণীর পাশে দাঁড়ানোকেও প্রকৃত ভালোবাসা হিসেবে তুলে ধরতে চান।

পরিকল্পনায় একটি ক্যাট হোস্টেলও রয়েছে, যেখানে মালিকরা প্রয়োজনে তাদের আদরের বিড়ালকে নিরাপদে রেখে যেতে পারবেন। ভ্রমণ বা ব্যস্ততার কারণে বিড়ালের যত্ন নিতে না পারলে, এই হোস্টেলে পেশাদার তত্ত্বাবধানে বিড়াল সম্পূর্ণ নিরাপদ ও আদরে থাকবে।