ঢাকা ০৫:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

মধ্যস্থতার অংশ হিসেবে ইরান সফরে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মধ্যস্থতাকারী হিসেবে চলমান প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি ইরান সফর করছেন। শনিবার তেহরানে পৌঁছে তিনি দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে বৈঠক করবেন।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই সংবাদ সংস্থা আইএসএনএকে জানিয়েছেন, এই সফরটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নিরসনে পাকিস্তানের মধ্যস্থতার প্রচেষ্টার একটি অংশ। ইসলামাবাদ উভয় দেশের মধ্যে শান্তি স্থাপনে সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

এর আগে, গত ৭ জুন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইস্কান্দার মোমেনির সঙ্গেও বৈঠক করেছিলেন নাকভি। পাকিস্তানি কর্মকর্তারা নিয়মিতভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সফর করছেন যাতে উভয় দেশের মধ্যে একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তি সম্পাদিত হতে পারে।

উল্লেখ্য, বুধবার ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টরা আনুষ্ঠানিকভাবে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছেন, যা দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমনে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে অর্ধশত অপরাধী চক্রের দৌরাত্ম্য: চাঁদাবাজির থাবায় অস্থির জনজীবন

মধ্যস্থতার অংশ হিসেবে ইরান সফরে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৩:৫৮:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

মধ্যস্থতাকারী হিসেবে চলমান প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি ইরান সফর করছেন। শনিবার তেহরানে পৌঁছে তিনি দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে বৈঠক করবেন।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই সংবাদ সংস্থা আইএসএনএকে জানিয়েছেন, এই সফরটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নিরসনে পাকিস্তানের মধ্যস্থতার প্রচেষ্টার একটি অংশ। ইসলামাবাদ উভয় দেশের মধ্যে শান্তি স্থাপনে সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

এর আগে, গত ৭ জুন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইস্কান্দার মোমেনির সঙ্গেও বৈঠক করেছিলেন নাকভি। পাকিস্তানি কর্মকর্তারা নিয়মিতভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সফর করছেন যাতে উভয় দেশের মধ্যে একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তি সম্পাদিত হতে পারে।

উল্লেখ্য, বুধবার ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টরা আনুষ্ঠানিকভাবে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছেন, যা দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমনে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।