ঢাকা ০৩:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

নির্বাচন না দিয়ে প্রশাসক নিয়োগ: সরকারের সমালোচনা জামায়াতের

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম সরকারের সমালোচনা করে বলেছেন, যেখানে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি রয়েছেন, সেখানে নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থীদের প্রশাসকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে রংপুরে জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে ১১ দলের বিভাগীয় সমাবেশ উপলক্ষে প্রস্তুতি সভায় তিনি এ কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, সরকার দ্রুত প্রশাসক নিয়োগ না দিয়ে আগে নির্বাচন দিতে পারতো। নির্বাচনে যারা বিপুল ভোটে হেরেছেন, তাদেরই প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

মাওলানা আবদুল হালিম জানান, আগামী ১১ জুলাই রংপুরে ১১ দলীয় ঐক্যের একটি বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এই সমাবেশের মূল দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে গণভোটে প্রদত্ত গণরায়ের বাস্তবায়ন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুতThe implementation of the Tista mega project, stopping push-ins and killings of Bangladeshi citizens at the border, and alleviating the daily suffering of the people. তিনি বলেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক সংকট ও গণতান্ত্রিক অধিকার হরণের বিরুদ্ধে জনগণ যে আন্দোলন-সংগ্রাম গড়ে তুলেছে, তার ধারাবাহিকতায় জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটে দেশের মানুষ তাদের মতামত সুস্পষ্টভাবে প্রকাশ করেছে। কিন্তু গণভোটের রায় বাস্তবায়নের বিষয়ে জনগণের প্রত্যাশা এখনো পূরণ হয়নি।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় জনগণের রায়ই সর্বোচ্চ এবং সেই রায়ের যথাযথ বাস্তবায়ন রাষ্ট্র ও সরকারের সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্ব। জনগণের মতামতকে উপেক্ষা করে কোনো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না।

তিস্তার ন্যায্য পানিপ্রবাহ নিশ্চিত এবং মহাপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, উত্তরাঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকা, কৃষি উৎপাদন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের সঙ্গে প্রকল্পটি সরাসরি সম্পৃক্ত। দীর্ঘদিনেও দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় এ অঞ্চলের মানুষ বঞ্চনার শিকার হচ্ছে।

সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা ও পুশ-ইনের ঘটনা দেশের সার্বভৌমত্ব ও মানবাধিকারের জন্য উদ্বেগজনক। এসব ঘটনার স্থায়ী সমাধানে সরকারকে আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, কর্মসংস্থানের সংকট, কৃষকের ন্যায্যমূল্য না পাওয়া এবং বিভিন্ন অবকাঠামোগত সমস্যার কারণে সাধারণ মানুষ কষ্টে রয়েছে। এসব সমস্যা সমাধানে দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরাকে মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে হামলার জন্য ইরানের নতুন গোপন সেল গঠন

নির্বাচন না দিয়ে প্রশাসক নিয়োগ: সরকারের সমালোচনা জামায়াতের

আপডেট সময় : ০২:১৪:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম সরকারের সমালোচনা করে বলেছেন, যেখানে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি রয়েছেন, সেখানে নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থীদের প্রশাসকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে রংপুরে জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে ১১ দলের বিভাগীয় সমাবেশ উপলক্ষে প্রস্তুতি সভায় তিনি এ কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, সরকার দ্রুত প্রশাসক নিয়োগ না দিয়ে আগে নির্বাচন দিতে পারতো। নির্বাচনে যারা বিপুল ভোটে হেরেছেন, তাদেরই প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

মাওলানা আবদুল হালিম জানান, আগামী ১১ জুলাই রংপুরে ১১ দলীয় ঐক্যের একটি বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এই সমাবেশের মূল দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে গণভোটে প্রদত্ত গণরায়ের বাস্তবায়ন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুতThe implementation of the Tista mega project, stopping push-ins and killings of Bangladeshi citizens at the border, and alleviating the daily suffering of the people. তিনি বলেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক সংকট ও গণতান্ত্রিক অধিকার হরণের বিরুদ্ধে জনগণ যে আন্দোলন-সংগ্রাম গড়ে তুলেছে, তার ধারাবাহিকতায় জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটে দেশের মানুষ তাদের মতামত সুস্পষ্টভাবে প্রকাশ করেছে। কিন্তু গণভোটের রায় বাস্তবায়নের বিষয়ে জনগণের প্রত্যাশা এখনো পূরণ হয়নি।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় জনগণের রায়ই সর্বোচ্চ এবং সেই রায়ের যথাযথ বাস্তবায়ন রাষ্ট্র ও সরকারের সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্ব। জনগণের মতামতকে উপেক্ষা করে কোনো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না।

তিস্তার ন্যায্য পানিপ্রবাহ নিশ্চিত এবং মহাপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, উত্তরাঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকা, কৃষি উৎপাদন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের সঙ্গে প্রকল্পটি সরাসরি সম্পৃক্ত। দীর্ঘদিনেও দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় এ অঞ্চলের মানুষ বঞ্চনার শিকার হচ্ছে।

সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা ও পুশ-ইনের ঘটনা দেশের সার্বভৌমত্ব ও মানবাধিকারের জন্য উদ্বেগজনক। এসব ঘটনার স্থায়ী সমাধানে সরকারকে আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, কর্মসংস্থানের সংকট, কৃষকের ন্যায্যমূল্য না পাওয়া এবং বিভিন্ন অবকাঠামোগত সমস্যার কারণে সাধারণ মানুষ কষ্টে রয়েছে। এসব সমস্যা সমাধানে দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন।