রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মারের বিরুদ্ধে নবাব আব্দুল লতিফ হল সংসদের জিএস নুরুল ইসলাম শহিদকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার রাত ১০টার দিকে নুরুল ইসলাম শহিদ একটি ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে এই অভিযোগ করেন।
ফেসবুক পোস্টে শহিদ দাবি করেন, আর্জেন্টিনা ও আলজেরিয়ার মধ্যকার বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচ দেখার জন্য তিনি ও তার হলের কয়েকজন শিক্ষার্থী হবিবুর রহমান হল মাঠে গিয়েছিলেন। খেলার প্রায় ৩০-৩১ মিনিটের সময় রাকসুর সহ-সভাপতি (ভিপি) মুস্তাকুর রহমান জাহিদ এবং হবিবুর রহমান হল সংসদের জিএস আশিক শিকদার তাকে তাদের পাশে বসে খেলা দেখার জন্য ডাকেন। এরপর তিনি এলইডি স্ক্রিনের পাশে সুতা দিয়ে ঘেরা নির্ধারিত স্থানে গিয়ে ভিপির পাশে বসেন।
শহিদ আরও অভিযোগ করেন, খেলা দেখার প্রায় এক মিনিট পর সালাহউদ্দিন আম্মার ও সহ-ক্রীড়া সম্পাদক আবু সাঈদ সামি সেখানে আসেন। এ সময় ভিপি একটি গণমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিতে স্থান ত্যাগ করলে আম্মার তাকে ওই স্থান থেকে সরে যেতে বলেন। কারণ জানতে চাইলে আম্মার তার গেঞ্জির কলার ধরে টানাটানি করেন এবং সেখানে কেউ থাকতে পারবে না বলে জানান। একপর্যায়ে তাকে জোরপূর্বক দড়ির ভেতরের স্থান থেকে বের করে দেওয়া হয় বলে শহিদ উল্লেখ করেন।
এই ঘটনার পর কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে ভিপি ঘটনাস্থলে ফিরে আসেন। তখন শহিদ ভবিষ্যতে রাকসুর কোনো কার্যক্রমে অংশগ্রহণে অনাগ্রহের কথা জানান। পরে ভিপি তাকে অন্যত্র নিয়ে যান বলেও পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে রাকসুর সহকারী ক্রীড়া সম্পাদক আবু সাঈদ নূন বলেন, তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন, তবে কী ঘটেছিল তা তিনি স্পষ্টভাবে শুনতে বা দেখতে পারেননি, কারণ তিনি স্ক্রিনের পাশে বক্সের একদম সামনে ছিলেন। তার মনে হয়েছিল হয়তো সামান্য কোনো ঝামেলা হয়েছে। পরে তিনি নুরুল ইসলাম শহিদের পোস্টটি দেখতে পান।
তবে সালাহউদ্দিন আম্মার তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘রাকসুর আয়োজনে খেলা দেখানো হয়েছে, সেখানে সবাই সমান। শৃঙ্খলার ব্যাপারে গতবারের থেকে শিক্ষা নিয়ে কোনো ঝামেলা ছাড়াই আয়োজন সুন্দর করার চেষ্টা করা হয়েছে। আমাদের বোনেরা স্ক্রিনের বাম পাশে বসেছিল। এখানে সামনে কেউ দাঁড়ালে তারা দেখতে পারছিল না। তাকে স্ক্রিনের ডান পাশে ভিপির পাশে গিয়ে বসতে বলা হয়েছিল। সে সেখান থেকে বের হয়ে গালি দিতে দিতে চলে যায়।’ আম্মার আরও জোর দিয়ে বলেন, তিনি শহিদের গায়ে একবারের জন্যও হাত দেননি বা তার টিশার্টেও স্পর্শ করেননি।
রিপোর্টারের নাম 

























