প্রায় এক হাজার ২০০ বছর আগে কুমিল্লার লালমাই-ময়নামতি পাহাড়ের পাদদেশে ছিল বৌদ্ধ ভিক্ষুদের পদচারণা ও শাস্ত্র পাঠের গুঞ্জন। সেই প্রাচীন ঐতিহ্যের ওপর দাঁড়িয়ে আজ আধুনিক শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়। পাল আমলের স্থাপত্যশৈলী আর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক অপূর্ব মেলবন্ধনে গড়ে ওঠা এই অঞ্চলটি আজও ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
ময়নামতির বিহারগুলোর মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন হলো শালবন বিহার। ১৯৫৫ সালে শুরু হওয়া খননকাজে এখানে উঠে আসে প্রাচীন বৌদ্ধ সভ্যতার নানা গুরুত্বপূর্ণ দিক। অষ্টম শতকে নির্মিত এই বিহারে ছিল শতাধিক ভিক্ষু কক্ষ এবং বিশাল এক কেন্দ্রীয় স্তূপ। খননকালে পাওয়া পোড়ামাটির ফলক, ব্রোঞ্জমূর্তি ও প্রাচীন মুদ্রাগুলো তৎকালীন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সমৃদ্ধির পরিচয় দেয়। সেই ঐতিহাসিক শালবন ও ময়নামতির ছায়াতলেই বর্তমানে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় জ্ঞানচর্চার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।
রিপোর্টারের নাম 

























