ঢাকা ০১:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

স্বপ্নলোক হাউজিং কোম্পানির বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ, মানববন্ধন

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০২:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার মির্জাকান্দা এলাকায় স্বপ্নলোক হাউজিং কোম্পানির বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ এনেছেন ভুক্তভোগী বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। এ বিষয়ে তারা একাত্ম হয়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন। মঙ্গলবার বিকেলে সিরাজদিখান উপজেলার কেয়াইন ইউনিয়ন মির্জাকান্দা এলাকায় স্বপ্নলোক হাউজিংয়ের সাইট অফিসের সামনে অনুষ্ঠিত এই মানববন্ধনে ভুক্তভোগী ও এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, স্বপ্নলোক হাউজিং কোম্পানি আকর্ষণীয় আবাসন প্রকল্পের প্রলোভন দেখিয়ে বহু মানুষের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ গ্রহণ করেছে। তবে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও প্রতিশ্রুত প্লট হস্তান্তর কিংবা প্রকল্পের দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় তারা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। তাদের কষ্টার্জিত অর্থ বিনিয়োগ করেও কাঙ্ক্ষিত সুবিধা না পাওয়ায় তারা আর্থিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এ অবস্থায় দ্রুত সময়ের মধ্যে সমস্যার সমাধান এবং ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

ভুক্তভোগী শিল্পী আক্তার বলেন, ‘প্রায় চার বছর ধরে এই স্বপ্নলোক হাউজিংয়ে প্লট ক্রয়ের জন্য টাকা দিয়ে রেখেছি। আমাদের প্লট বুঝিয়ে দেবে বলে কালক্ষেপণ করা হচ্ছে। এখন জানতে পারি তাদের নিজস্ব কোনো জমি নেই, তারা আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। এখন তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেও কোনো ফল হচ্ছে না।’ মো. বনি নামের আরেকজন ভুক্তভোগী বলেন, ‘আমরা এই স্বপ্নলোক হাউজিং থেকে পাঁচটি প্লট বুকিং দিয়েছি। এ পর্যন্ত প্রায় ১৫ লাখ টাকা দিয়েছি। এই হাউজিং কোম্পানির কাছে বারবার তাগিদ দেওয়ার পরও তারা আমাদের প্লট বুঝিয়ে না দিয়ে সাইট অফিস বন্ধ করে দিয়েছে। ঢাকার জুরাইনে তাদের মেইন অফিসে গিয়েও তাদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করতে পারছি না। ফোনে যোগাযোগ করলেও টাকা ফেরত ও প্লট বুঝিয়ে দেওয়ার কথা বললেও তারা বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দিয়ে থাকে। তারা অন্যের জমি দেখিয়ে আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করে টাকাগুলো নিয়েছে।’ ভুক্তভোগী মঞ্জুরা বেগম বলেন, ‘আমার মেয়ের জামাই মোয়াজ্জেম (মাকসুদার স্বামী) তিনটি প্লট কেনার জন্য বুকিং দেয় চার বছর আগে। এ পর্যন্ত আমরা প্রায় ১১ লাখ টাকা দিয়েছি। তারা এখনও প্লট বা জায়গা বুঝিয়ে দিচ্ছে না। এখন শুনেছি তাদের নিজস্ব কোনো জায়গা নেই।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেমের সম্পর্কে ইতি টেনেছেন শর্বরী ও সানি!

স্বপ্নলোক হাউজিং কোম্পানির বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ, মানববন্ধন

আপডেট সময় : ১১:০২:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার মির্জাকান্দা এলাকায় স্বপ্নলোক হাউজিং কোম্পানির বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ এনেছেন ভুক্তভোগী বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। এ বিষয়ে তারা একাত্ম হয়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন। মঙ্গলবার বিকেলে সিরাজদিখান উপজেলার কেয়াইন ইউনিয়ন মির্জাকান্দা এলাকায় স্বপ্নলোক হাউজিংয়ের সাইট অফিসের সামনে অনুষ্ঠিত এই মানববন্ধনে ভুক্তভোগী ও এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, স্বপ্নলোক হাউজিং কোম্পানি আকর্ষণীয় আবাসন প্রকল্পের প্রলোভন দেখিয়ে বহু মানুষের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ গ্রহণ করেছে। তবে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও প্রতিশ্রুত প্লট হস্তান্তর কিংবা প্রকল্পের দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় তারা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। তাদের কষ্টার্জিত অর্থ বিনিয়োগ করেও কাঙ্ক্ষিত সুবিধা না পাওয়ায় তারা আর্থিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এ অবস্থায় দ্রুত সময়ের মধ্যে সমস্যার সমাধান এবং ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

ভুক্তভোগী শিল্পী আক্তার বলেন, ‘প্রায় চার বছর ধরে এই স্বপ্নলোক হাউজিংয়ে প্লট ক্রয়ের জন্য টাকা দিয়ে রেখেছি। আমাদের প্লট বুঝিয়ে দেবে বলে কালক্ষেপণ করা হচ্ছে। এখন জানতে পারি তাদের নিজস্ব কোনো জমি নেই, তারা আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। এখন তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেও কোনো ফল হচ্ছে না।’ মো. বনি নামের আরেকজন ভুক্তভোগী বলেন, ‘আমরা এই স্বপ্নলোক হাউজিং থেকে পাঁচটি প্লট বুকিং দিয়েছি। এ পর্যন্ত প্রায় ১৫ লাখ টাকা দিয়েছি। এই হাউজিং কোম্পানির কাছে বারবার তাগিদ দেওয়ার পরও তারা আমাদের প্লট বুঝিয়ে না দিয়ে সাইট অফিস বন্ধ করে দিয়েছে। ঢাকার জুরাইনে তাদের মেইন অফিসে গিয়েও তাদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করতে পারছি না। ফোনে যোগাযোগ করলেও টাকা ফেরত ও প্লট বুঝিয়ে দেওয়ার কথা বললেও তারা বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দিয়ে থাকে। তারা অন্যের জমি দেখিয়ে আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করে টাকাগুলো নিয়েছে।’ ভুক্তভোগী মঞ্জুরা বেগম বলেন, ‘আমার মেয়ের জামাই মোয়াজ্জেম (মাকসুদার স্বামী) তিনটি প্লট কেনার জন্য বুকিং দেয় চার বছর আগে। এ পর্যন্ত আমরা প্রায় ১১ লাখ টাকা দিয়েছি। তারা এখনও প্লট বা জায়গা বুঝিয়ে দিচ্ছে না। এখন শুনেছি তাদের নিজস্ব কোনো জায়গা নেই।’