রাজধানীর পাইকারি ও খুচরা চালের বাজার পরিদর্শনের পর বাণিজ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন যে বাজারে চালের দাম ও সরবরাহ পরিস্থিতি বর্তমানে যথেষ্ট স্থিতিশীল রয়েছে। তিনি আরও জানান, সরকারের হাতে চাল ও গমের পর্যাপ্ত মজুদ থাকায় ভবিষ্যতে সরবরাহ বাড়ানোর প্রয়োজন হলে তাৎক্ষণিকভাবে হস্তক্ষেপ করার সক্ষমতা রয়েছে।
বুধবার দুপুরে রাজধানীর বাদামতলী পাইকারি চালের বাজার ও নয়াবাজারের খুচরা বাজার পরিদর্শনের পর সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন খাদ্য প্রতিমন্ত্রী এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব। একটি সংবাদপত্রে চালের বাজারে মূল্যবৃদ্ধির খবর প্রকাশিত হওয়ার পর সরেজমিনে বাজার পরিস্থিতি যাচাই করতে তারা এই পরিদর্শনে যান।
বিভিন্ন পাইকারি আড়ত ও খুচরা দোকান ঘুরে তারা দেখতে পেয়েছেন যে চালের দামে উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন হয়নি। কয়েকজন ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, ঈদের পর কিছু চালের দাম কেজিতে এক থেকে দেড় টাকা বেড়েছে, তবে তা বাজারে বড় ধরনের মূল্যবৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয় না। কিছু মিল মালিক বস্তাপ্রতি ১০০ টাকা দাম বাড়ানোর উদ্যোগ নিলেও তা কার্যকর হয়নি এবং পরবর্তীতে দাম কমে এসেছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে বিভিন্ন মানের চালের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই দুই থেকে চার টাকার মূল্য পার্থক্য থাকে এবং নতুন ও পুরোনো চালের দামের ভিন্নতাও স্বাভাবিক। তিনি আরও বলেন, ভোজ্যতেলসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ পরিস্থিতিও ভালো রয়েছে এবং বাজারে মূল্য স্থিতিশীল রয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিদিন বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে বাজারের মূল্যতালিকা ও সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 





















