এক সময় বিশ্বকাপ মানেই ছিল স্টেডিয়ামের গ্যালারি কিংবা ড্রয়িংরুমের টেলিভিশনে সীমাবদ্ধ এক উন্মাদনা। তবে বর্তমান ডিজিটাল যুগে সেই চিত্র সম্পূর্ণ বদলে গেছে। এখন বিশ্বকাপ মানেই শহরজুড়ে ছড়িয়ে পড়া এক বিশাল উৎসব। স্টেডিয়ামের বাইরে পার্ক, শপিং মল বা বড় কোনো চত্বরে হাজার হাজার মানুষ একত্রে খেলা উপভোগ করেন। এই গণ-উন্মাদনায় পরিবার বা বন্ধুদের নিয়ে শামিল হওয়া এখন বিশ্বকাপের অন্যতম অনুষঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিশ্বকাপ চলাকালীন শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলো যেন এক একটি উৎসবস্থলে পরিণত হয়। বিশেষ করে বড় ম্যাচের দিনগুলোতে পতাকার মিছিল আর হর্ষধ্বনিতে মুখরিত থাকে রাজপথ। স্টেডিয়ামের বিকল্প হিসেবে ‘ফ্যান জোন’ ধারণাটি এখন ব্যাপক জনপ্রিয়। বিশাল এলইডি স্ক্রিন, খাবারের স্টল আর সাংস্কৃতিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে ফ্যান জোনগুলোতে তৈরি হয় স্টেডিয়ামের মতোই রোমাঞ্চকর পরিবেশ। গোল হওয়ার সাথে সাথে অপরিচিত মানুষের সাথে আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার এই অভিজ্ঞতা ফুটবলকে আরও সর্বজনীন করে তুলেছে।
সবচেয়ে বড় বিপ্লব এসেছে মোবাইল প্রযুক্তিতে। এখন আর নির্দিষ্ট কোনো জায়গায় বসে থাকার প্রয়োজন নেই; স্মার্টফোন, ট্যাবলেট কিংবা ল্যাপটপে মানুষ যেকোনো স্থান থেকে সরাসরি খেলা দেখতে পারছেন। ডিজিটাল স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মগুলোর কারণে কোটি কোটি মানুষের কাছে ফুটবল এখন হাতের মুঠোয় পৌঁছে গেছে। ফলে মাঠের সীমানা ছাড়িয়ে বিশ্বকাপের আনন্দ এখন প্রতিটি মানুষের প্রাত্যহিক জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে।
রিপোর্টারের নাম 























