বিশ্বকাপ ফুটবল মানেই নতুন কোনো গল্পের জন্ম দেওয়া। কখনো কোনো উদীয়মান তরুণ রাতারাতি তারকা হয়ে ওঠেন, আবার কখনো প্রতিষ্ঠিত কিংবদন্তিরা নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেন। ২০২৬ সালে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে বসতে যাওয়া ফুটবল মহাযজ্ঞে কোটি কোটি ভক্তের নজর থাকবে বিশ্বসেরা কিছু ফুটবলারের ওপর। গতির ঝড়, সৃজনশীল পাস আর গোলের জাদুতে যারা মাতিয়ে রাখবেন সবুজ গালিচা।
এই তালিকার শীর্ষে রয়েছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। ২০১৮ সালে বিশ্বজয় এবং ২০২২ সালের ফাইনালে হ্যাটট্রিক করে তিনি নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। আগামী বিশ্বকাপে ফ্রান্সের নেতৃত্বের ভার থাকবে তার কাঁধে। অন্যদিকে, ইংল্যান্ডের মাঝমাঠের প্রাণভ্রমরা হয়ে উঠেছেন জুড বেলিংহাম। রিয়াল মাদ্রিদের এই তারকা আধুনিক ফুটবলের এক পূর্ণাঙ্গ প্যাকেজ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। স্পেনের তরুণ বিস্ময় লামিনে ইয়ামালও রয়েছেন আকর্ষণের কেন্দ্রে। মাত্র কিশোর বয়সেই নিজের পরিপক্বতা দিয়ে ফুটবল বিশ্বকে চমকে দিয়েছেন তিনি।
ব্রাজিলের হেক্সা জয়ের স্বপ্নে এবার বড় ভরসা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। নেইমার পরবর্তী যুগে সেলেসাওদের আক্রমণভাগের নেতৃত্ব এখন তার কাঁধে। এছাড়া নরওয়ের গোলমেশিন আর্লিং হালান্ডও প্রস্তুত বিশ্বমঞ্চে নিজের নাম খোদাই করতে। এই মহাতারকাদের ব্যক্তিগত নৈপুণ্যই নির্ধারণ করে দিতে পারে ২০২৬ বিশ্বকাপের ভাগ্য।
রিপোর্টারের নাম 























