ফুটবল বিশ্বকাপের পরবর্তী আসরে ৪৮ দলের নতুন ফরম্যাট আসায় তৈরি হয়েছে ইতিহাস গড়ার সুযোগ। চিরচেনা পরাশক্তিদের পাশাপাশি এবার বিশ্বমঞ্চে দেখা যাবে এমন কিছু দেশকে, যাদের বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন ছিল দীর্ঘদিনের। এই তালিকায় সবচেয়ে উজ্জ্বল নাম উজবেকিস্তান। এশীয় ফুটবলে শক্তিশালী দল হওয়া সত্ত্বেও বারবার বাছাইপর্বের শেষ ধাপ থেকে তাদের ফিরতে হয়েছে। তবে এবার সব আক্ষেপ ঘুচিয়ে সরাসরি মূল পর্ব নিশ্চিত করেছে মধ্য এশিয়ার দেশটি। ফরাসি লিগে খেলা তরুণ ডিফেন্ডার আবদুখোদির খুসানভের মতো প্রতিভাবান খেলোয়াড়রা এখন উজবেকদের বড় ভরসা।
দীর্ঘ চার দশকের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে বিশ্বমঞ্চে পা রাখছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ জর্ডান। ১৯৮৬ সাল থেকে লড়াই শুরু করা দলটি এবার এশীয় অঞ্চলের বাছাইপর্বে দক্ষিণ কোরিয়ার মতো শক্তিশালী দলকে টেক্কা দিয়ে রানার্সআপ হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে। দীর্ঘদিনের পরিকল্পিত ফুটবল কাঠামো এবং সঠিক দিকনির্দেশনাই জর্ডানকে এই অভাবনীয় সাফল্য এনে দিয়েছে।
তবে এবারের বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় চমক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে ক্যারিবীয় অঞ্চলের ছোট্ট দ্বীপ রাষ্ট্র কুরাসাও। মাত্র দেড় লাখ জনসংখ্যার এই দেশটি জ্যামাইকার মতো দলকে রুখে দিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বমঞ্চের টিকিট পেয়েছে। এক সময় ফিফা র্যাংকিংয়ে তলানিতে থাকা কুরাসাও ডাচ কোচ ডিক অ্যাডভোকাটের জাদুকরী স্পর্শে এখন বিশ্ব ফুটবলের নতুন এক রূপকথার নাম।
রিপোর্টারের নাম 























