ঢাকা ০৫:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬

টিআইবির প্রতিবেদন নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পুলিশের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল সংস্থাটি

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) তাদের প্রকাশিত “ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সরকারের ১০০ দিন: সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতিবিরোধী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ” শীর্ষক প্রতিবেদনের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, জাতীয় সংসদ এবং পুলিশ কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়ার পর নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছে।

মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে টিআইবি জানায়, তাদের প্রতিবেদনের বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য, সংসদে আলোচনা এবং পুলিশ কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া সংস্থাটিকে অনুপ্রাণিত করেছে। এসব প্রতিক্রিয়া তাদের গবেষণা ও সুশাসনবিষয়ক কর্মকাণ্ডকে আরও ফলপ্রসূ করতে সহায়ক হবে বলেও উল্লেখ করা হয়।

বিবৃতিতে টিআইবি আরও জানায়, তারা কোনো তদন্তকারী সংস্থা নয়, বরং গবেষণাভিত্তিক দুর্নীতিবিরোধী ও সুশাসনসংক্রান্ত কার্যক্রম, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে ইতিবাচক পরিবর্তনের লক্ষ্যে কাজ করে। প্রতিবেদন প্রণয়নের পদ্ধতি সম্পর্কে সংস্থাটি জানায়, সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণায় স্বীকৃত গুণগত ও পরিমাণগত তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতি অনুসরণ করে বিভিন্ন প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। সংগৃহীত তথ্যের যথার্থতা বিভিন্ন স্তরে যাচাই-বাছাইয়ের পর বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদন তৈরি করা হয়।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিষয়ে প্রতিবেদনে ব্যবহৃত তথ্যসূত্র হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশ এবং তিনটি মানবাধিকার সংগঠনের তথ্য ব্যবহারের কথা উল্লেখ করে টিআইবি। এ তথ্য প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে বলেও জানানো হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে সংস্থাটি দাবি করে, তাদের প্রতিবেদন শুধুমাত্র সংবাদপত্রের কাটিংয়ের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে—এমন মন্তব্যের কোনো ভিত্তি নেই। গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য সংগ্রহ করা হলেও তা সরাসরি ব্যবহার করা হয় না; বরং সরকারি, বেসরকারি এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট উৎস থেকে প্রাপ্ত তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে যাচাই ও বিশ্লেষণ করা হয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জনপ্রতিনিধি, সরকার এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসমূহও বিভিন্ন ক্ষেত্রে গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। ফলে গণমাধ্যম-ভিত্তিক তথ্যকে সামগ্রিকভাবে অবমূল্যায়ন করা যৌক্তিক নয়। পুলিশ কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া প্রসঙ্গে টিআইবি জানায়, সংবাদ সম্মেলনে তারা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উদ্বেগজনক—এমন মূল পর্যবেক্ষণে

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি

টিআইবির প্রতিবেদন নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পুলিশের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল সংস্থাটি

আপডেট সময় : ০৬:০২:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) তাদের প্রকাশিত “ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সরকারের ১০০ দিন: সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতিবিরোধী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ” শীর্ষক প্রতিবেদনের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, জাতীয় সংসদ এবং পুলিশ কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়ার পর নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছে।

মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে টিআইবি জানায়, তাদের প্রতিবেদনের বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য, সংসদে আলোচনা এবং পুলিশ কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া সংস্থাটিকে অনুপ্রাণিত করেছে। এসব প্রতিক্রিয়া তাদের গবেষণা ও সুশাসনবিষয়ক কর্মকাণ্ডকে আরও ফলপ্রসূ করতে সহায়ক হবে বলেও উল্লেখ করা হয়।

বিবৃতিতে টিআইবি আরও জানায়, তারা কোনো তদন্তকারী সংস্থা নয়, বরং গবেষণাভিত্তিক দুর্নীতিবিরোধী ও সুশাসনসংক্রান্ত কার্যক্রম, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে ইতিবাচক পরিবর্তনের লক্ষ্যে কাজ করে। প্রতিবেদন প্রণয়নের পদ্ধতি সম্পর্কে সংস্থাটি জানায়, সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণায় স্বীকৃত গুণগত ও পরিমাণগত তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতি অনুসরণ করে বিভিন্ন প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। সংগৃহীত তথ্যের যথার্থতা বিভিন্ন স্তরে যাচাই-বাছাইয়ের পর বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদন তৈরি করা হয়।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিষয়ে প্রতিবেদনে ব্যবহৃত তথ্যসূত্র হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশ এবং তিনটি মানবাধিকার সংগঠনের তথ্য ব্যবহারের কথা উল্লেখ করে টিআইবি। এ তথ্য প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে বলেও জানানো হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে সংস্থাটি দাবি করে, তাদের প্রতিবেদন শুধুমাত্র সংবাদপত্রের কাটিংয়ের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে—এমন মন্তব্যের কোনো ভিত্তি নেই। গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য সংগ্রহ করা হলেও তা সরাসরি ব্যবহার করা হয় না; বরং সরকারি, বেসরকারি এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট উৎস থেকে প্রাপ্ত তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে যাচাই ও বিশ্লেষণ করা হয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জনপ্রতিনিধি, সরকার এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসমূহও বিভিন্ন ক্ষেত্রে গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। ফলে গণমাধ্যম-ভিত্তিক তথ্যকে সামগ্রিকভাবে অবমূল্যায়ন করা যৌক্তিক নয়। পুলিশ কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া প্রসঙ্গে টিআইবি জানায়, সংবাদ সম্মেলনে তারা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উদ্বেগজনক—এমন মূল পর্যবেক্ষণে