ঢাকা ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬

ফিলিপাইনে শক্তিশালী ভূমিকম্পে প্রাণহানি বেড়ে ৩৭, নিখোঁজ অনেকে

ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলে আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৭ জনে দাঁড়িয়েছে। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে আহত হয়েছেন আরও দেড় শতাধিক মানুষ। দেশটির সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মিন্দানাও দ্বীপের সকসারজেন অঞ্চলেই ধ্বংসস্তূপ থেকে ৩১টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো বেশ কয়েকজন নিখোঁজ থাকায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সোমবার স্থানীয় সময় ভোরে ৭.৮ মাত্রার এই ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে দক্ষিণ ফিলিপাইন। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল মিন্দানাওয়ের জেনারেল সান্তোস শহর থেকে ৮ মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং এর গভীরতা ছিল ৬.২ মাইল। এই শক্তিশালী কম্পনের ফলে ১০ হাজারেরও বেশি মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন বলে জানা গেছে।

ভূমিকম্পের পরপরই প্যাসিফিক সুনামি ওয়ার্নিং সেন্টার ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার উপকূলে সুনামির সতর্কতা জারি করেছিল। তবে পরবর্তীতে জানানো হয় যে, বড় ধরনের সুনামির ঝুঁকি আর নেই। বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধার অভিযান জোরদার করা হয়েছে এবং গৃহহীনদের আশ্রয়ের ব্যবস্থা করছে দেশটির সরকার।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ক্ষমতার পাঁচ মাস: তৃণমূল ও কেন্দ্রে বিএনপির সাংগঠনিক জড়তা কাটাতে কাউন্সিলের অপেক্ষা

ফিলিপাইনে শক্তিশালী ভূমিকম্পে প্রাণহানি বেড়ে ৩৭, নিখোঁজ অনেকে

আপডেট সময় : ০৮:০২:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলে আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৭ জনে দাঁড়িয়েছে। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে আহত হয়েছেন আরও দেড় শতাধিক মানুষ। দেশটির সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মিন্দানাও দ্বীপের সকসারজেন অঞ্চলেই ধ্বংসস্তূপ থেকে ৩১টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো বেশ কয়েকজন নিখোঁজ থাকায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সোমবার স্থানীয় সময় ভোরে ৭.৮ মাত্রার এই ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে দক্ষিণ ফিলিপাইন। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল মিন্দানাওয়ের জেনারেল সান্তোস শহর থেকে ৮ মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং এর গভীরতা ছিল ৬.২ মাইল। এই শক্তিশালী কম্পনের ফলে ১০ হাজারেরও বেশি মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন বলে জানা গেছে।

ভূমিকম্পের পরপরই প্যাসিফিক সুনামি ওয়ার্নিং সেন্টার ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার উপকূলে সুনামির সতর্কতা জারি করেছিল। তবে পরবর্তীতে জানানো হয় যে, বড় ধরনের সুনামির ঝুঁকি আর নেই। বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধার অভিযান জোরদার করা হয়েছে এবং গৃহহীনদের আশ্রয়ের ব্যবস্থা করছে দেশটির সরকার।