ঢাকা ০৭:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

ইসরাইলের ইরানে হামলার পর ট্রাম্পের মধ্যস্থতার সম্ভাবনা ক্ষীণ

ইরানের ওপর ইসরাইলের নতুন করে হামলার ঘটনা ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে শান্তিচুক্তি বা যেকোনো ধরনের সমঝোতার পথকে আরও জটিল করে তুলেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আশা করেছিলেন যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং ইসরাইল ও ইরানের মধ্যেকার উত্তেজনা কমে আসবে, যেমনটি অতীতে দেখা গিয়েছিল।

অতীতে, বিশেষ করে ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে, ইসরাইল ও ইরান একে অপরের ওপর হামলা চালালেও তা বড় কোনো সংঘাতে রূপ নেয়নি, কারণ উভয় পক্ষই সংযম দেখিয়েছিল। এবারও সেরকম একটি শান্ত পরিস্থিতি প্রত্যাশা করা হচ্ছিল। কিন্তু বর্তমান হামলা পরিস্থিতিকে ভিন্ন দিকে মোড় দিয়েছে।

দ্য ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস-এর সাথে এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেছিলেন যে তিনি সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করেন এবং সকল সিদ্ধান্ত তিনিই নেন। এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে প্রশ্ন উঠেছে যে, তিনি আসলে কী বোঝাতে চেয়েছেন। ট্রাম্পের সাথে নেতানিয়াহুর কথোপকথনে এটি স্পষ্ট হয়েছে যে, যদিও ট্রাম্প ইসরাইলের কাছ থেকে নির্দিষ্ট কিছু পদক্ষেপ আশা করেছিলেন, দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতি ভিন্ন। নেতানিয়াহুকে বিভিন্ন বাধা ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বকে সামাল দিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হয়, পাশাপাশি জনগণের সমর্থন ধরে রাখার চেষ্টাও করতে হয়।

এই পরিস্থিতি ট্রাম্পের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে, কারণ তিনি আশা করছিলেন যে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি চুক্তি বা অন্তত একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হতে পারে। কিন্তু ইসরাইলের বর্তমান হামলা সেই সম্ভাবনাকে আরও ক্ষীণ করে তুলেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিরোধী সংসদীয় এলাকায় নারী এমপিদের উন্নয়ন তদারকি: প্রধানমন্ত্রীর ব্যাখ্যা

ইসরাইলের ইরানে হামলার পর ট্রাম্পের মধ্যস্থতার সম্ভাবনা ক্ষীণ

আপডেট সময় : ১২:২০:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

ইরানের ওপর ইসরাইলের নতুন করে হামলার ঘটনা ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে শান্তিচুক্তি বা যেকোনো ধরনের সমঝোতার পথকে আরও জটিল করে তুলেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আশা করেছিলেন যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং ইসরাইল ও ইরানের মধ্যেকার উত্তেজনা কমে আসবে, যেমনটি অতীতে দেখা গিয়েছিল।

অতীতে, বিশেষ করে ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে, ইসরাইল ও ইরান একে অপরের ওপর হামলা চালালেও তা বড় কোনো সংঘাতে রূপ নেয়নি, কারণ উভয় পক্ষই সংযম দেখিয়েছিল। এবারও সেরকম একটি শান্ত পরিস্থিতি প্রত্যাশা করা হচ্ছিল। কিন্তু বর্তমান হামলা পরিস্থিতিকে ভিন্ন দিকে মোড় দিয়েছে।

দ্য ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস-এর সাথে এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেছিলেন যে তিনি সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করেন এবং সকল সিদ্ধান্ত তিনিই নেন। এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে প্রশ্ন উঠেছে যে, তিনি আসলে কী বোঝাতে চেয়েছেন। ট্রাম্পের সাথে নেতানিয়াহুর কথোপকথনে এটি স্পষ্ট হয়েছে যে, যদিও ট্রাম্প ইসরাইলের কাছ থেকে নির্দিষ্ট কিছু পদক্ষেপ আশা করেছিলেন, দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতি ভিন্ন। নেতানিয়াহুকে বিভিন্ন বাধা ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বকে সামাল দিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হয়, পাশাপাশি জনগণের সমর্থন ধরে রাখার চেষ্টাও করতে হয়।

এই পরিস্থিতি ট্রাম্পের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে, কারণ তিনি আশা করছিলেন যে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি চুক্তি বা অন্তত একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হতে পারে। কিন্তু ইসরাইলের বর্তমান হামলা সেই সম্ভাবনাকে আরও ক্ষীণ করে তুলেছে।