ভারতের কর্নাটক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া অবশেষে তার পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। দলীয় হাইকমান্ডের নির্দেশ মেনে তার এই পদত্যাগ গত কয়েকদিন ধরে চলা রাজনৈতিক জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়েছে। এর মধ্য দিয়ে সিদ্দারামাইয়ার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী ডিকে শিবকুমারের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পথ সুগম হয়েছে।
গত কয়েক মাস ধরে রাজ্যের শীর্ষ পদ নিয়ে সিদ্দারামাইয়া এবং শিবকুমারের মধ্যে এক ধরনের টানাপোড়েন চলছিল। ধারণা করা হচ্ছে, নতুন সরকারে জাতিগত ভারসাম্য বজায় রাখতে শিবকুমারের সঙ্গে দুই থেকে তিনজন উপমুখ্যমন্ত্রীও থাকতে পারেন।
পদত্যাগের পর এক সংবাদ সম্মেলনে সিদ্দারামাইয়া জানান, তিনি পূর্বেও বহুবার বলেছেন যে হাইকমান্ড যখন তাকে পদত্যাগ করতে বলবে, তিনি তা করবেন। দুই দিন আগে হাইকমান্ড তাকে সরে দাঁড়াতে বলায় তিনি পদত্যাগ করেছেন।
২০০৬ সালে কংগ্রেসে যোগ দেওয়া সিদ্দারামাইয়া দলটির কর্নাটকের অন্যতম প্রভাবশালী ওবিসি নেতা হিসেবে পরিচিত। তার বিদায়ের মধ্য দিয়ে রাজ্যে কংগ্রেসের দীর্ঘ রাজনৈতিক অধ্যায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্বের সমাপ্তি ঘটলো।
দলীয় বিরোধের জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে তিনি আরও বলেন, তিনি সবসময় বিশ্বাস করেছেন যে তাদের এক পরিবার হিসেবে থাকতে হবে এবং তার মেয়াদকালে সমতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছেন।
এর আগে, মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে সিদ্দারামাইয়া তার পদত্যাগের সিদ্ধান্তের কথা সহকর্মীদের জানান। বৈঠকে উপস্থিত শিবকুমারকে তাকে আলিঙ্গন করতে এবং আশীর্বাদ নিতে পা ছুঁতে দেখা যায়, যা নেতৃত্ব পরিবর্তনের বিষয়টি প্রায় নিশ্চিত করে দেয়।
সংবাদ সম্মেলনের আগে সিদ্দারামাইয়া রাজ্যের রাজ্যপালের সচিবের কাছে তার পদত্যাগপত্র জমা দেন। রাজ্যপাল বর্তমানে রাজ্যের বাইরে রয়েছেন এবং দিনের শেষ নাগাদ তার ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 























