মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীদের ওপর প্রস্তাবিত আয়কর আরোপের প্রতিবাদে রাজধানীতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন বাইকাররা। শুক্রবার (২২ মে) জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বাইকাররা অংশ নেন এবং তাদের দাবি তুলে ধরেন।
আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে মোটরসাইকেলের সিসি অনুযায়ী বছরে ২ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত অগ্রিম আয়কর আরোপের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা চলছে। এই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে বাইকাররা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া বাইকাররা ‘নো মোর আনফেয়ার ট্যাক্স অন বাইকস’, ‘বাইকারদের কণ্ঠ রোধ করা যাবে না’ এবং ‘অযৌক্তিক কর মানি না, মানবো না’—এ ধরনের স্লোগান দেন। তারা প্ল্যাকার্ড হাতে তাদের প্রতিবাদ জানান।
বক্তারা বলেন, মোটরসাইকেল এখন আর বিলাসপণ্য নয়, বরং অনেকের জীবিকা ও দৈনন্দিন যাতায়াতের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। নতুন করে অগ্রিম কর আরোপ করা হলে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত মানুষের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হবে, যা তাদের জীবনযাত্রাকে আরও কঠিন করে তুলবে।
বাইকারদের অভিযোগ, মোটরসাইকেল কিনতে গিয়ে এমনিতেই উচ্চ হারে শুল্ক-কর পরিশোধ করতে হয়। এছাড়াও রেজিস্ট্রেশন, ফিটনেস, টোকেন ও জ্বালানির ওপরও বিভিন্ন ধরনের ব্যয় রয়েছে। এর ওপর আবার অগ্রিম আয়কর আরোপের উদ্যোগকে তারা ‘অযৌক্তিক’ বলে দাবি করেন।
এর আগে গত ১৭ মে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কার্যালয়ের সামনে একই দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন বাইকাররা এবং এনবিআর চেয়ারম্যানের কাছে স্মারকলিপিও জমা দেন। বিক্ষোভকারীরা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, মোটরসাইকেলকে বিলাসপণ্য হিসেবে নয়, সাধারণ মানুষের প্রয়োজনীয় পরিবহন হিসেবে বিবেচনা করতে হবে এবং প্রস্তাবিত অগ্রিম কর অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে।
রিপোর্টারের নাম 























