টাঙ্গাইলের সখিপুরে নিখোঁজের দুই দিন পর পুকুর থেকে উদ্ধার হওয়া শিশু সেঁজুতি রানীর বাড়িতে শোকের মাতম চলছে। শুক্রবার সকালে নিহতের পরিবারকে সান্ত্বনা দিতে গিয়ে এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির মুখোমুখি হন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান। এ সময় সেঁজুতির বাবা-মা কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মন্ত্রীর পায়ে লুটিয়ে পড়েন। মন্ত্রী শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এক লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদানের পাশাপাশি দ্রুততম সময়ে ন্যায়বিচারের আশ্বাস দেন।
মন্ত্রী বলেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্টে যদি হত্যাকাণ্ডের সামান্যতম আলামত পাওয়া যায়, তবে অপরাধীদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি উদাহরণ টেনে বলেন, মাত্র ছয় কার্যদিবসে যেভাবে রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচার সম্পন্ন হয়েছে, সেঁজুতি হত্যার বিচারও তেমন দ্রুততম সময়ে নিশ্চিত করা হবে। উল্লেখ্য, গত ২০ জুন নিখোঁজ হওয়ার পর ২২ জুন স্থানীয় উপজেলা পরিষদের পুকুর থেকে সেঁজুতির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ বিষয়টিকে গুরুত্বের সাথে তদন্ত করছে এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করছে।
রিপোর্টারের নাম 






















