ঢাকা ০৩:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

ঈদের বাজারে সাড়া ফেলেছে ১২০০ কেজি ওজনের ‘মহারাজা’ ষাঁড়, দাম হাঁকা হচ্ছে ২০ লাখ

মুসলমানদের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব কোরবানির ঈদ আসন্ন। এই উপলক্ষে দিনাজপুরের বিরামপুরে কোরবানির বাজারে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে প্রায় ১২০০ কেজি ওজনের এক বিশাল আকৃতির ষাঁড়, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘মহারাজা’। এই অঞ্চলের মধ্যে এটিই সবচেয়ে বড় আকারের গরু বলে দাবি করা হচ্ছে এবং এর বিশাল আকৃতি দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছেন উৎসুক জনতা।

বিরামপুর উপজেলার খানপুর দক্ষিণ শাহাবাজপুর এলাকার লরিচালক লুৎফর রহমান শখের বশে পাঁচ বছর আগে তার বাড়ির গাভী থেকে জন্ম নেওয়া ফিজিয়ান জাতের একটি ছোট বাছুরকে লালন-পালন শুরু করেন। সন্তানের মতো যত্ন ও ভালোবাসায় তিনি ‘মহারাজা’কে বড় করেছেন। বর্তমানে পাঁচ বছর বয়সী এই ষাঁড়টির ওজন দাঁড়িয়েছে প্রায় ১২০০ কেজি। বিশাল আকৃতির হলেও গরুটি বেশ শান্ত স্বভাবের বলে জানা গেছে।

দৈনিক আপেল, কলাসহ ৮ থেকে ১০ ধরনের খাবার দেওয়া হয় ‘মহারাজা’কে, যার পেছনে প্রতিদিন খরচ হয় দুই হাজার টাকারও বেশি। এই বিশাল আকৃতির ষাঁড়টির দাম হাঁকা হচ্ছে ২০ লাখ টাকা। ইতিমধ্যে স্থানীয়ভাবে ‘মহারাজা’কে ঘিরে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। গরু দেখতে আসা অনেকেই এর আকার দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন এবং এটিকে গরুর বদলে হাতি বলে উল্লেখ করেছেন।

গরুর মালিক লুৎফর রহমান জানান, ‘মহারাজা’র লালন-পালনে এ পর্যন্ত প্রায় আট-নয় লাখ টাকা খরচ হয়েছে, যার সঙ্গে শ্রমিক খরচ যোগ করলে পরিমাণ আরও বাড়বে। তিনি প্রতিদিন কলা, আপেল, বিভিন্ন প্রকারের ঘাস, ভূষি, আটা, ব্রান এবং খড় মিশিয়ে এটি খাওয়ান। প্রতিদিনের এই বিপুল খরচ মেটাতে তিনি কিছুটা দুশ্চিন্তায় আছেন। তিনি আশা করছেন, কোরবানির আগে যদি কোনো আগ্রহী ব্যক্তি উপযুক্ত দামে এটি কিনে নেন, তবে তিনি তা বিক্রি করে দেবেন। সম্প্রতি পশু প্রদর্শনীতে অংশ নিয়ে ‘মহারাজা’ প্রথম স্থান অধিকার করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লেবানন থেকে ইসরাইলের শর্তহীন প্রত্যাহারের দাবি হিজবুল্লাহ মহাসচিবের

ঈদের বাজারে সাড়া ফেলেছে ১২০০ কেজি ওজনের ‘মহারাজা’ ষাঁড়, দাম হাঁকা হচ্ছে ২০ লাখ

আপডেট সময় : ০৪:০১:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

মুসলমানদের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব কোরবানির ঈদ আসন্ন। এই উপলক্ষে দিনাজপুরের বিরামপুরে কোরবানির বাজারে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে প্রায় ১২০০ কেজি ওজনের এক বিশাল আকৃতির ষাঁড়, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘মহারাজা’। এই অঞ্চলের মধ্যে এটিই সবচেয়ে বড় আকারের গরু বলে দাবি করা হচ্ছে এবং এর বিশাল আকৃতি দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছেন উৎসুক জনতা।

বিরামপুর উপজেলার খানপুর দক্ষিণ শাহাবাজপুর এলাকার লরিচালক লুৎফর রহমান শখের বশে পাঁচ বছর আগে তার বাড়ির গাভী থেকে জন্ম নেওয়া ফিজিয়ান জাতের একটি ছোট বাছুরকে লালন-পালন শুরু করেন। সন্তানের মতো যত্ন ও ভালোবাসায় তিনি ‘মহারাজা’কে বড় করেছেন। বর্তমানে পাঁচ বছর বয়সী এই ষাঁড়টির ওজন দাঁড়িয়েছে প্রায় ১২০০ কেজি। বিশাল আকৃতির হলেও গরুটি বেশ শান্ত স্বভাবের বলে জানা গেছে।

দৈনিক আপেল, কলাসহ ৮ থেকে ১০ ধরনের খাবার দেওয়া হয় ‘মহারাজা’কে, যার পেছনে প্রতিদিন খরচ হয় দুই হাজার টাকারও বেশি। এই বিশাল আকৃতির ষাঁড়টির দাম হাঁকা হচ্ছে ২০ লাখ টাকা। ইতিমধ্যে স্থানীয়ভাবে ‘মহারাজা’কে ঘিরে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। গরু দেখতে আসা অনেকেই এর আকার দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন এবং এটিকে গরুর বদলে হাতি বলে উল্লেখ করেছেন।

গরুর মালিক লুৎফর রহমান জানান, ‘মহারাজা’র লালন-পালনে এ পর্যন্ত প্রায় আট-নয় লাখ টাকা খরচ হয়েছে, যার সঙ্গে শ্রমিক খরচ যোগ করলে পরিমাণ আরও বাড়বে। তিনি প্রতিদিন কলা, আপেল, বিভিন্ন প্রকারের ঘাস, ভূষি, আটা, ব্রান এবং খড় মিশিয়ে এটি খাওয়ান। প্রতিদিনের এই বিপুল খরচ মেটাতে তিনি কিছুটা দুশ্চিন্তায় আছেন। তিনি আশা করছেন, কোরবানির আগে যদি কোনো আগ্রহী ব্যক্তি উপযুক্ত দামে এটি কিনে নেন, তবে তিনি তা বিক্রি করে দেবেন। সম্প্রতি পশু প্রদর্শনীতে অংশ নিয়ে ‘মহারাজা’ প্রথম স্থান অধিকার করেছে।