ঢাকা ০৩:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

রামিসা হত্যার বিচার দাবিতে উত্তাল মিরপুর, মধ্যরাত পর্যন্ত সড়ক অবরোধ

রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় মিরপুর এলাকায় ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। খুনিদের দ্রুত বিচার ও ফাঁসির দাবিতে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে আসেন। বিক্ষোভকারীরা মিরপুর-১০ থেকে ১২ নম্বর পর্যন্ত প্রধান সড়কগুলো অবরোধ করে রাখলে ওই এলাকায় যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।

বিক্ষুব্ধ জনতা ‘জাস্টিস ফর রামিসা’ এবং ‘খুনিদের ফাঁসি চাই’ স্লোগানে রাজপথ কাঁপিয়ে তোলেন। তাদের দাবি, এই ধরনের নৃশংস অপরাধ রুখতে হলে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দ্রুত কার্যকর করতে হবে। বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণেই এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

বিক্ষোভ চলাকালীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করেন। মধ্যরাতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে এবং পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করে আন্দোলনকারীরা সড়ক ছেড়ে দেন। তবে তারা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, বিচার প্রক্রিয়ায় কোনো বিলম্ব হলে তারা আবারও কঠোর আন্দোলনে নামবেন।

আন্দোলনকারীরা বলছেন, রামিসার এই করুণ মৃত্যু পুরো সমাজকে স্তম্ভিত করে দিয়েছে। তারা কেবল একটি ঘটনার বিচার নয়, বরং শিশুদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত এই অংশগ্রহণ প্রমাণ করে যে, এই হত্যাকাণ্ডের বিচার নিয়ে জনমনে তীব্র আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লেবানন থেকে ইসরাইলের শর্তহীন প্রত্যাহারের দাবি হিজবুল্লাহ মহাসচিবের

রামিসা হত্যার বিচার দাবিতে উত্তাল মিরপুর, মধ্যরাত পর্যন্ত সড়ক অবরোধ

আপডেট সময় : ০২:৩০:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় মিরপুর এলাকায় ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। খুনিদের দ্রুত বিচার ও ফাঁসির দাবিতে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে আসেন। বিক্ষোভকারীরা মিরপুর-১০ থেকে ১২ নম্বর পর্যন্ত প্রধান সড়কগুলো অবরোধ করে রাখলে ওই এলাকায় যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।

বিক্ষুব্ধ জনতা ‘জাস্টিস ফর রামিসা’ এবং ‘খুনিদের ফাঁসি চাই’ স্লোগানে রাজপথ কাঁপিয়ে তোলেন। তাদের দাবি, এই ধরনের নৃশংস অপরাধ রুখতে হলে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দ্রুত কার্যকর করতে হবে। বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণেই এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

বিক্ষোভ চলাকালীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করেন। মধ্যরাতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে এবং পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করে আন্দোলনকারীরা সড়ক ছেড়ে দেন। তবে তারা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, বিচার প্রক্রিয়ায় কোনো বিলম্ব হলে তারা আবারও কঠোর আন্দোলনে নামবেন।

আন্দোলনকারীরা বলছেন, রামিসার এই করুণ মৃত্যু পুরো সমাজকে স্তম্ভিত করে দিয়েছে। তারা কেবল একটি ঘটনার বিচার নয়, বরং শিশুদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত এই অংশগ্রহণ প্রমাণ করে যে, এই হত্যাকাণ্ডের বিচার নিয়ে জনমনে তীব্র আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে।