ঢাকা ০২:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬

কমনওয়েলথ নির্বাহী কমিটিতে সদস্য নির্বাচিত হলো বাংলাদেশ: বড় কূটনৈতিক সাফল্য

৫৬টি দেশের প্রভাবশালী জোট কমনওয়েলথের প্রশাসনিক ও নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে বড় ধরনের সাফল্য অর্জন করেছে বাংলাদেশ। লন্ডনের মার্লবরো হাউসে কমনওয়েলথ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত বোর্ড অফ গভর্নরস-এর সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের জন্য জোটের নির্বাহী কমিটিতে (এক্সকো) নির্বাচিত হয়েছে ঢাকা। এই অর্জনকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব ও সফল কূটনৈতিক তৎপরতার ফসল হিসেবে দেখা হচ্ছে।

লন্ডনে অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় বাংলাদেশের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার ড. নজরুল ইসলাম। কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, নিবিড় আলোচনা ও সফল যোগাযোগের মাধ্যমে এই সর্বসম্মত সমর্থন নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ করে জুলাই পরবর্তী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা এবং সংস্কার প্রক্রিয়ার প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আস্থার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে এই বিজয়কে বিবেচনা করা হচ্ছে।

কমনওয়েলথ এক্সিকিউটিভ কমিটি কেবল একটি সাধারণ পরিষদ নয়, বরং এটি এই জোটের যাবতীয় প্রশাসনিক ও নীতিগত কর্মকাণ্ডের মূল চালিকাশক্তি। ১৬ সদস্যের এই কমিটিতে আটটি আসন বড় দাতা দেশগুলোর জন্য সংরক্ষিত থাকলেও বাকি আটটি আসনে ভৌগোলিক অবস্থানের ভিত্তিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ এশিয়া-ইউরোপ অঞ্চল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে এই গুরুত্বপূর্ণ আসনটি জয় করে নিয়েছে।

এই শীর্ষ কমিটিতে অন্তর্ভুক্তির ফলে আন্তর্জাতিক নীতি নির্ধারণে বাংলাদেশ এখন আরও জোরালো ভূমিকা পালন করতে পারবে। বৈশ্বিক পর্যায়ে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করার পাশাপাশি কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও গভীর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বরেণ্য বুদ্ধিজীবী অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের প্রয়াণে এনসিপির গভীর শোক

কমনওয়েলথ নির্বাহী কমিটিতে সদস্য নির্বাচিত হলো বাংলাদেশ: বড় কূটনৈতিক সাফল্য

আপডেট সময় : ১১:০৪:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

৫৬টি দেশের প্রভাবশালী জোট কমনওয়েলথের প্রশাসনিক ও নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে বড় ধরনের সাফল্য অর্জন করেছে বাংলাদেশ। লন্ডনের মার্লবরো হাউসে কমনওয়েলথ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত বোর্ড অফ গভর্নরস-এর সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের জন্য জোটের নির্বাহী কমিটিতে (এক্সকো) নির্বাচিত হয়েছে ঢাকা। এই অর্জনকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব ও সফল কূটনৈতিক তৎপরতার ফসল হিসেবে দেখা হচ্ছে।

লন্ডনে অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় বাংলাদেশের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার ড. নজরুল ইসলাম। কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, নিবিড় আলোচনা ও সফল যোগাযোগের মাধ্যমে এই সর্বসম্মত সমর্থন নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ করে জুলাই পরবর্তী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা এবং সংস্কার প্রক্রিয়ার প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আস্থার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে এই বিজয়কে বিবেচনা করা হচ্ছে।

কমনওয়েলথ এক্সিকিউটিভ কমিটি কেবল একটি সাধারণ পরিষদ নয়, বরং এটি এই জোটের যাবতীয় প্রশাসনিক ও নীতিগত কর্মকাণ্ডের মূল চালিকাশক্তি। ১৬ সদস্যের এই কমিটিতে আটটি আসন বড় দাতা দেশগুলোর জন্য সংরক্ষিত থাকলেও বাকি আটটি আসনে ভৌগোলিক অবস্থানের ভিত্তিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ এশিয়া-ইউরোপ অঞ্চল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে এই গুরুত্বপূর্ণ আসনটি জয় করে নিয়েছে।

এই শীর্ষ কমিটিতে অন্তর্ভুক্তির ফলে আন্তর্জাতিক নীতি নির্ধারণে বাংলাদেশ এখন আরও জোরালো ভূমিকা পালন করতে পারবে। বৈশ্বিক পর্যায়ে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করার পাশাপাশি কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও গভীর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।