ঢাকা ০৯:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

রেমিট্যান্সে বড় উল্লম্ফন: মে মাসের প্রথম ১৭ দিনেই এলো ২১৭ কোটি ডলার

দেশের অর্থনীতিতে সুবাতাস বইছে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের হাত ধরে। মে মাসের প্রথম ১৭ দিনেই দেশে ২১৭ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ প্রবাসী আয় এসেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এই প্রবৃদ্ধির হার প্রায় ৩৫ দশমিক ২ শতাংশ। প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে প্রায় ১২ কোটি ৮১ লাখ ডলার, যা সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে অন্যতম রেকর্ড প্রবাহ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৩ হাজার ১৫১ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২০ শতাংশেরও বেশি। বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রবণতা বৃদ্ধি, সরকারের দেওয়া প্রণোদনা এবং ডলারের বিনিময় হার স্থিতিশীল থাকাকেই এই ইতিবাচক ধারার প্রধান কারণ হিসেবে দেখছেন অর্থনীতিবিদরা।

রেমিট্যান্সের এই ঊর্ধ্বগতি বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে বড় ধরনের স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে। বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিয়মিত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে ডলার ক্রয় করছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে এবং ডলারের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এই পদক্ষেপগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তবে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা মোকাবিলায় এই ধারা বজায় রাখাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদাবাজি বন্ধে মানুষের এক-তৃতীয়াংশ শান্তি ফিরবে: জামায়াত আমির

রেমিট্যান্সে বড় উল্লম্ফন: মে মাসের প্রথম ১৭ দিনেই এলো ২১৭ কোটি ডলার

আপডেট সময় : ১১:২৫:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

দেশের অর্থনীতিতে সুবাতাস বইছে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের হাত ধরে। মে মাসের প্রথম ১৭ দিনেই দেশে ২১৭ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ প্রবাসী আয় এসেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এই প্রবৃদ্ধির হার প্রায় ৩৫ দশমিক ২ শতাংশ। প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে প্রায় ১২ কোটি ৮১ লাখ ডলার, যা সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে অন্যতম রেকর্ড প্রবাহ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৩ হাজার ১৫১ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২০ শতাংশেরও বেশি। বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রবণতা বৃদ্ধি, সরকারের দেওয়া প্রণোদনা এবং ডলারের বিনিময় হার স্থিতিশীল থাকাকেই এই ইতিবাচক ধারার প্রধান কারণ হিসেবে দেখছেন অর্থনীতিবিদরা।

রেমিট্যান্সের এই ঊর্ধ্বগতি বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে বড় ধরনের স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে। বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিয়মিত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে ডলার ক্রয় করছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে এবং ডলারের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এই পদক্ষেপগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তবে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা মোকাবিলায় এই ধারা বজায় রাখাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।