ঢাকা ০৭:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

ডিমের দাম বৃদ্ধি নিয়ে সাধারণ মানুষের উদ্বেগ, খামারিদের যুক্তি ভিন্ন

গত এক সপ্তাহে প্রতি ডজন ডিমের দাম ২০ টাকা এবং এক মাসের মধ্যে ৩০-৪০ টাকা বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষ চরম উদ্বেগে পড়েছেন। মাছ ও মাংসের উচ্চমূল্যের কারণে যারা ডিমের ওপর পুষ্টির চাহিদা মেটানোর জন্য নির্ভরশীল ছিলেন, তাদের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে এটি। তবে, এই দাম বৃদ্ধি নিয়ে খামারিদের বক্তব্য ভিন্ন।

খামারিদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে ডিমের কম দাম থাকায় অনেক লেয়ার খামারি লোকসানের মুখে পড়েছেন এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা খামার বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছেন। বিভিন্ন অঞ্চলে মুরগির রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ায় প্রায় ২০ শতাংশ খামার বন্ধ হয়ে গেছে, যা সরাসরি ডিমের উৎপাদনে প্রভাব ফেলেছে। এছাড়াও, সম্প্রতি জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে খামার থেকে বাজারে ডিম পরিবহনের খরচও বেড়েছে, যা দাম বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন তারা।

ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির কারণে ডিমের সরবরাহে সাময়িক ব্যাঘাত ঘটেছে, যা পাইকারি বাজারে দামের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। সরবরাহ কমে যাওয়ার বিপরীতে চাহিদা বেশি থাকায় খুচরা ও পাইকারি উভয় বাজারেই ডিমের দাম বাড়ানো হয়েছে।

রাজশাহীর পবা উপজেলার এক খামারি জানান, এক মাস আগে যে ডিম ৭ টাকা ৪০ পয়সায় বিক্রি করেছেন, তা এখন ৯ টাকা ৪০ পয়সায় বিক্রি করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘মুরগির খাদ্য, ওষুধ, ব্যাংকের সুদ, জ্বালানি তেলসহ বিভিন্ন জিনিসের দাম বেড়েছে। এ ছাড়া গত তিন মাসে অনেকগুলো মুরগি মারা গেছে, এতে ব্যাপক লোকসান হয়েছে। এতদিন কেউ খবর নেয়নি, আর এখন ডিমের দাম একটু বাড়ায় চারদিকে হইচই পড়ে গেছে।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তা মহাপরিকল্পনায় বদলে যাবে উত্তরবঙ্গের ভাগ্য, স্থায়ী সমাধানের আশ্বাস পানি সম্পদ মন্ত্রীর

ডিমের দাম বৃদ্ধি নিয়ে সাধারণ মানুষের উদ্বেগ, খামারিদের যুক্তি ভিন্ন

আপডেট সময় : ১২:১২:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

গত এক সপ্তাহে প্রতি ডজন ডিমের দাম ২০ টাকা এবং এক মাসের মধ্যে ৩০-৪০ টাকা বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষ চরম উদ্বেগে পড়েছেন। মাছ ও মাংসের উচ্চমূল্যের কারণে যারা ডিমের ওপর পুষ্টির চাহিদা মেটানোর জন্য নির্ভরশীল ছিলেন, তাদের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে এটি। তবে, এই দাম বৃদ্ধি নিয়ে খামারিদের বক্তব্য ভিন্ন।

খামারিদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে ডিমের কম দাম থাকায় অনেক লেয়ার খামারি লোকসানের মুখে পড়েছেন এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা খামার বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছেন। বিভিন্ন অঞ্চলে মুরগির রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ায় প্রায় ২০ শতাংশ খামার বন্ধ হয়ে গেছে, যা সরাসরি ডিমের উৎপাদনে প্রভাব ফেলেছে। এছাড়াও, সম্প্রতি জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে খামার থেকে বাজারে ডিম পরিবহনের খরচও বেড়েছে, যা দাম বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন তারা।

ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির কারণে ডিমের সরবরাহে সাময়িক ব্যাঘাত ঘটেছে, যা পাইকারি বাজারে দামের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। সরবরাহ কমে যাওয়ার বিপরীতে চাহিদা বেশি থাকায় খুচরা ও পাইকারি উভয় বাজারেই ডিমের দাম বাড়ানো হয়েছে।

রাজশাহীর পবা উপজেলার এক খামারি জানান, এক মাস আগে যে ডিম ৭ টাকা ৪০ পয়সায় বিক্রি করেছেন, তা এখন ৯ টাকা ৪০ পয়সায় বিক্রি করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘মুরগির খাদ্য, ওষুধ, ব্যাংকের সুদ, জ্বালানি তেলসহ বিভিন্ন জিনিসের দাম বেড়েছে। এ ছাড়া গত তিন মাসে অনেকগুলো মুরগি মারা গেছে, এতে ব্যাপক লোকসান হয়েছে। এতদিন কেউ খবর নেয়নি, আর এখন ডিমের দাম একটু বাড়ায় চারদিকে হইচই পড়ে গেছে।’