চলতি বছরের ২৮ মার্চ দুবাই থেকে আসা একটি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে তল্লাশি চালিয়ে ১৫৩টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়, যার ওজন ছিল প্রায় ১৮ কেজি এবং বাজারমূল্য প্রায় ৪৬ কোটি টাকা। এই ঘটনা আবারও উড়োজাহাজের মাধ্যমে স্বর্ণ চোরাচালানের বিষয়টি সামনে এনেছে।
গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বলছে, চোরাকারবারিরা বিমানের বিভিন্ন ‘সংবেদনশীল ও গোপন স্থান’ ব্যবহার করে বড় আকারের স্বর্ণের চালান পাচার করে। সম্প্রতি এমন আরও কয়েকটি চোরাচালানের পরিকল্পনার তথ্য গোয়েন্দাদের হাতে এসেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে, বিমান চলাচল নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য এয়ারক্রাফট অপারেটিং কমিটিকে (এওসি) জরুরি পরামর্শ দিয়েছে গোয়েন্দা সংস্থা।
এর আগেও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজ থেকে ১২৪ কেজি, ১১৪ কেজি এবং ৬০ কেজি ওজনের স্বর্ণের চালান উদ্ধার করা হয়েছে। এসব ঘটনায় বিমানের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ অনেকেই গ্রেফতার হয়েছিলেন।
জানা গেছে, বিপুল অর্থের বিনিময়ে বিমানের একশ্রেণির অসাধু কর্মকর্তা, পাইলট, ক্রু এবং লোডারদের ব্যবহার করে চোরাকারবারিরা এই নিরাপদ রুট তৈরি করে। যদিও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় মাঝে এই প্রবণতা কিছুটা কমেছিল, তবে বর্তমানে একটি চক্র আবারও উড়োজাহাজকে ব্যবহার করে স্বর্ণ পাচারের চেষ্টা চালাচ্ছে।
কার্গো হোলের অন্তর্মুখী প্যানেল বক্স এবং বিমানের অন্যান্য লুক্কায়িত স্থান, যা সাধারণ তল্লাশির আওতায় আসে না, সেগুলোই চোরাকারবারিরা স্বর্ণ লুকানোর প্রধান স্থান হিসেবে ব্যবহার করে।
রিপোর্টারের নাম 























