ঢাকা ১২:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

আত্মীয়ের বাসায় স্বামী-স্ত্রী ও শিশুর অকাল মৃত্যু: রহস্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু

মাদারীপুর শহরের আমিরাবাদ এলাকার একটি বাসা থেকে এক দম্পতি ও তাদের আট মাস বয়সী সন্তানের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার (১৭ মে) মধ্যরাতে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। নিহতরা হলেন- সদর উপজেলার কলাগাছিয়া এলাকার চিন্ময় দাস, তার স্ত্রী ইশা দাস এবং তাদের শিশু সন্তান।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শহরের আমিরাবাদ এলাকার সান্ত্বনা রানী চন্দের বাড়িতে প্রায় তিন বছর ধরে ভাড়া থাকতেন এক দম্পতি। রবিবার বিকেলে চিন্ময় দাস, তার স্ত্রী ও শিশু সন্তানকে নিয়ে ওই বাসায় আসেন। মধ্যরাতে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে তিনজনের মৃতদেহ উদ্ধার করে।

এ বিষয়ে মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘরের দরজা ভেঙে তিনজনের মৃতদেহ উদ্ধার করে। ঘটনাটি হত্যা না আত্মহত্যা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশের একটি কক্ষে একা থাকা অন্য এক ব্যক্তির ভূমিকা সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়েছে। মৃতদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ঘটনার রহস্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে আজ ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশ: প্রধান অতিথি ডা. শফিকুর রহমান

আত্মীয়ের বাসায় স্বামী-স্ত্রী ও শিশুর অকাল মৃত্যু: রহস্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু

আপডেট সময় : ০৮:৫৭:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

মাদারীপুর শহরের আমিরাবাদ এলাকার একটি বাসা থেকে এক দম্পতি ও তাদের আট মাস বয়সী সন্তানের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার (১৭ মে) মধ্যরাতে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। নিহতরা হলেন- সদর উপজেলার কলাগাছিয়া এলাকার চিন্ময় দাস, তার স্ত্রী ইশা দাস এবং তাদের শিশু সন্তান।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শহরের আমিরাবাদ এলাকার সান্ত্বনা রানী চন্দের বাড়িতে প্রায় তিন বছর ধরে ভাড়া থাকতেন এক দম্পতি। রবিবার বিকেলে চিন্ময় দাস, তার স্ত্রী ও শিশু সন্তানকে নিয়ে ওই বাসায় আসেন। মধ্যরাতে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে তিনজনের মৃতদেহ উদ্ধার করে।

এ বিষয়ে মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘরের দরজা ভেঙে তিনজনের মৃতদেহ উদ্ধার করে। ঘটনাটি হত্যা না আত্মহত্যা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশের একটি কক্ষে একা থাকা অন্য এক ব্যক্তির ভূমিকা সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়েছে। মৃতদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ঘটনার রহস্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে।