চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর উপজেলার সীমান্ত এলাকায় গরু আনতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া এক যুবকের মরদেহ পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। রবিবার (১৭ মে) বেলা আড়াইটার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয় বলে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) জানিয়েছে।
নিহতের নাম শওকত আলী (৩০), তিনি শিবগঞ্জ উপজেলার মনাকষা ইউনিয়নের তারাপুর ঠুঠাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্র ও বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, গত ১১ মে রাত ১টার দিকে শওকত আলীসহ ১০-১৫ জনের একটি দল চাঁপাইনবাবগঞ্জের জহুরপুর সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে গরু আনার উদ্দেশ্যে ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে। এরপর থেকেই শওকত আলী নিখোঁজ ছিলেন। তবে এই ঘটনায় শওকত আলীর পরিবার আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো অভিযোগ দায়ের করেনি।
পরবর্তীতে, শনিবার (১৬ মে) বেলা আড়াইটার দিকে ৫৩ বিজিবির ফরিদপুর বিওপির আওতাধীন পদ্মা নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মাছ ধরতে যাওয়া জেলেরা মরদেহটি দেখতে পেয়ে স্থানীয়দের খবর দেন। এরপর পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি বাড়িতে নিয়ে আসেন। খবর পেয়ে শিবগঞ্জ থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২৫০ শয্যার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
নিহতের চাচা আনারুল ইসলাম জানিয়েছেন, মাছ ধরতে যাওয়া জেলেরা মরদেহটি উদ্ধার করে খবর দিলে তারা সেটি বাড়িতে নিয়ে আসেন। পরে পুলিশ এসে মরদেহ নিয়ে যায়। তিনি নিশ্চিত নন যে তার ভাতিজা গরু আনতে গিয়েছিল নাকি মাছ ধরার সময় মারা গেছে।
৫৩ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মোস্তাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, বিভিন্ন সূত্রে তারা জানতে পেরেছেন যে শওকত আলী গরু আনতে ভারতে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছিলেন এবং পরে তার মরদেহ উদ্ধার হয়েছে।
শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতিউর রহমান জানিয়েছেন, শনিবার রাতে সদর থানার আওতাধীন পদ্মা নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে থাকার খবর পাওয়া যায়। তবে পুলিশ সেখানে পৌঁছানোর আগেই মরদেহটি শিবগঞ্জ উপজেলায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে পুলিশ সুপারের নির্দেশে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।
রিপোর্টারের নাম 























