১.
একটা রাত ধার দাও,
যে রাতে বিস্ময় জাগিয়ে গ্রাস করেনি আঁধার
যাতে নির্লিপ্ততা দেখাতে পারি।
জগৎ-সংসারে যা কিছু অভিধান বহির্ভূত
তা শরীরে লেপ্টে যায় আমার অগোচরে,
দুঃখে ভুগি অনন্তকাল।
অশোধিত রূপকে প্রচণ্ড গ্লানি বিদ্যমান
শুধু কিছু সময়ের আকাঙ্ক্ষা করছে ছারখার
আমার পরিবার অদ্ভুত,
হাওয়ায় উড়ি একসাথে
পরিচয়ের দহনে আবদ্ধ হয় না বনমানুষ।
আর্ট ফিল্ম অখাদ্য লাগে
রাস্তায় বুক ফুলিয়ে উড়াই সিগারেট
তুমি কল কেটে দাও,
সেকেন্ড কুড়ি পর,
অন্যথায় অনর্থ।
আমি অহেতুক প্রশ্নের ডালা সাজাই
ভেবে রাখি টানাপড়েনের সন্ধিক্ষণ
আমার সঙ্গ উচ্ছন্নে যাক
আমি ডুবে যাই কৃষ্ণগহ্বরে,
তোমার কৌতুকের সাক্ষী হতে।
অবয়বে মুছে গেছে জীবনের রোদ
দিন গুনি নীরবে, ফানুস হই ইচ্ছার বিপরীতে।
২.
আমি স্বীকার করি, সময় বড্ড আপেক্ষিক
যেই ক্ষুদ্র মুহূর্তগুলোতে তুমি আর আমি এক
তা আঙুলের ফাঁকে বের হয়ে যায়
বালুকণাময় ঢলের মতো।
এই বিশাল পৃথিবী, এই বিশাল সময়রাশি
আমাদেরকে দু-দণ্ড সময় দিতে পারে না।
যেইটুকু সময় পাই, তা নিমিষেই মিলিয়ে যায়
লোকলজ্জার তাড়ায়।
কেন এমনই হয়?
কেন তুমি চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নও?
আমি উদাম হয়ে বসে আছি, খুবলে খাও!
সময় আমাকে বড়ো ক্ষুদ্র মনে করায়
তোমার সাথে যেটুকু সময় কাটে
সবটুকু নিশ্ছিদ্র যন্ত্রণা।
তোমার বদৌলতে দেখে নিলাম সময়ের নগ্নদেহ,
আর তা লুকিয়ে রাখার লাজ।
কেন ঐ নির্দিষ্ট মুহূর্তে পৃথিবী ত্যাগ করেনি
তার বার্ষিক আহ্নিক গতি?
রিপোর্টারের নাম 

























